ঢাকা , বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ফুকরা স্ট্যান্ডে অটোভ্যান রাখার স্থান ও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় মাটি ভরাট Logo এইউবিতে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা Logo এইউবিতে ‘শিক্ষা পরিকল্পনায় মাতৃভাষার গুরুত্ব’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নরসিংদীর সন্তান সারোয়ার হোসেন মৃধা   Logo ” ‘মিকাত’ পবিত্র মক্কা নগরীর পবিত্রতা ও অনন্যতার এক উজ্জ্বল প্রতিক” Logo ময়মনসিংহে একই অভিযুক্তকে ঘিরে প্রশ্নের মুখে আইনশৃঙ্খলা Logo ময়মনসিংহে ডিডি আনোয়ার ও জাফর উল্লাহ কাজলের ঘুষ-দুর্নীতি ও অনুমোদন লেনদেনের বিতর্ক Logo প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীর Logo ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কিশোরগঞ্জে ছাত্রশিবিরের র‍্যালি Logo গফরগাঁওয়ের নিগুয়ারিতে ইটভাটার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি ও ঝুঁকিতে স্কুল-শিশুরা
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।

সত্য প্রকাশে বাধা দিতে বিকৃত ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ,প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৯:৩৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

সত্য প্রকাশে বাধা দিতে বিকৃত ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ,প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

মাদক ও চাঁদাবাজিবিরোধী ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী ও অপরাধ সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে একজন সাংবাদিককে ব্যক্তিগতভাবে হেয় করা এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক মামুনুর রশীদ মামুন জানান, সম্প্রতি Joynal Abedin নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে খণ্ডিত, সম্পাদিত ও বিকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব ভিডিওর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই; বরং বিভ্রান্তি ছড়ানো ও মানহানির সুস্পষ্ট কৌশল হিসেবে এগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তার।
তিনি বলেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা মানেই হলো তথ্য সংগ্রহ,উৎস যাচাই, মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধান এবং প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ। এই পেশাগত প্রক্রিয়ার কোনো একটি অংশ কৌশলে কেটে নিয়ে প্রেক্ষাপটবিহীনভাবে উপস্থাপন করা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং এটি গণমাধ্যমের ন্যূনতম নীতিমালারও পরিপন্থী।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের বিকৃত ভিডিও কোনো সাংবাদিককে প্রশ্নবিদ্ধ করে না; বরং এটি প্রমাণ করে—কারা তথ্য বোঝে না,কারা সাংবাদিকতার নৈতিকতা সম্পর্কে অজ্ঞ এবং কারা সত্যকে ভয় পায়। এই অপপ্রচারের মূল লক্ষ্য একটাই—মাদক ও চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে ভয় দেখিয়ে থামিয়ে দেওয়া এবং একজন সাংবাদিককে ব্যক্তিগতভাবে টার্গেট করে ভবিষ্যতে সত্য প্রকাশের সাহস দমন করা।
সাংবাদিক মামুনুর রশীদ মামুন এই পরিকল্পিত অপপ্রচার, মানহানিকর কনটেন্ট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চরিত্রহননের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন,আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ফেসবুক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এ ধরনের বিকৃত, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট দ্রুত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “সত্যের পক্ষে থাকা কখনো অপরাধ নয়। ভয়,হুমকি,
অপপ্রচার কিংবা ষড়যন্ত্র দিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে থামানো যায় না। এটি কোনো একক ব্যক্তির লড়াই নয়—এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতা,গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সমাজে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর সংগ্রাম।” শেষে তিনি বলেন,যতদিন কলম আছে,ততদিন সত্য লেখাই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুকরা স্ট্যান্ডে অটোভ্যান রাখার স্থান ও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় মাটি ভরাট

সত্য প্রকাশে বাধা দিতে বিকৃত ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ,প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

আপডেট সময় ০৯:৩৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সত্য প্রকাশে বাধা দিতে বিকৃত ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ,প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

মাদক ও চাঁদাবাজিবিরোধী ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী ও অপরাধ সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে একজন সাংবাদিককে ব্যক্তিগতভাবে হেয় করা এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক মামুনুর রশীদ মামুন জানান, সম্প্রতি Joynal Abedin নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে খণ্ডিত, সম্পাদিত ও বিকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব ভিডিওর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই; বরং বিভ্রান্তি ছড়ানো ও মানহানির সুস্পষ্ট কৌশল হিসেবে এগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তার।
তিনি বলেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা মানেই হলো তথ্য সংগ্রহ,উৎস যাচাই, মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধান এবং প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ। এই পেশাগত প্রক্রিয়ার কোনো একটি অংশ কৌশলে কেটে নিয়ে প্রেক্ষাপটবিহীনভাবে উপস্থাপন করা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং এটি গণমাধ্যমের ন্যূনতম নীতিমালারও পরিপন্থী।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের বিকৃত ভিডিও কোনো সাংবাদিককে প্রশ্নবিদ্ধ করে না; বরং এটি প্রমাণ করে—কারা তথ্য বোঝে না,কারা সাংবাদিকতার নৈতিকতা সম্পর্কে অজ্ঞ এবং কারা সত্যকে ভয় পায়। এই অপপ্রচারের মূল লক্ষ্য একটাই—মাদক ও চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে ভয় দেখিয়ে থামিয়ে দেওয়া এবং একজন সাংবাদিককে ব্যক্তিগতভাবে টার্গেট করে ভবিষ্যতে সত্য প্রকাশের সাহস দমন করা।
সাংবাদিক মামুনুর রশীদ মামুন এই পরিকল্পিত অপপ্রচার, মানহানিকর কনটেন্ট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চরিত্রহননের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন,আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ফেসবুক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এ ধরনের বিকৃত, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট দ্রুত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “সত্যের পক্ষে থাকা কখনো অপরাধ নয়। ভয়,হুমকি,
অপপ্রচার কিংবা ষড়যন্ত্র দিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে থামানো যায় না। এটি কোনো একক ব্যক্তির লড়াই নয়—এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতা,গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সমাজে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর সংগ্রাম।” শেষে তিনি বলেন,যতদিন কলম আছে,ততদিন সত্য লেখাই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব।