ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র Logo বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে ড. আব্দুল মঈন খান Logo ময়মনসিংহে ভয় ও অপরাধ: চাঁদাবাজি–লুটপাট
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।

প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীর

প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীর

 

 

ময়মনসিংহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত একটি সংবাদ গত ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হলে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন সংস্থাটির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেন। এক লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,প্রকাশিত সংবাদের অভিযোগগুলো বাস্তবতা বিবর্জিত,বিভ্রান্তিকর এবং একতরফা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংবাদে তাঁর বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে কাজ না করে বিল উত্তোলনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে,তা সম্পূর্ণ অসত্য বলে তিনি দাবি করেন। মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলীর সরাসরি কোনো ঠিকাদারকে বিল প্রদানের ক্ষমতা নেই। সংশ্লিষ্ট উপজেলার সহকারী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের কাজের পরিমাপ,কাজ সম্পন্নের প্রতিবেদন এবং নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতেই বিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে। তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে ময়মনসিংহ জেলায় কাজ না করে বা কাজ কম করে বিল উত্তোলনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি দাবি করেন। বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সংবাদে ময়মনসিংহ সদর,ফুলপুর ও হালুয়াঘাট উপজেলার ৮৪৪, ৮৪৫ ও ৮৫৬ নম্বর প্যাকেজে অতিরিক্ত বিল উত্তোলনের যে অভিযোগ করা হয়েছে,সে বিষয়ে তিনি বলেন—এসব প্যাকেজে একতলা ওয়াসব্লক নির্মাণের কার্যাদেশ থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ভবন দুইতলা হওয়ায় প্রকল্প পরিচালকের মৌখিক নির্দেশে ঠিকাদার অতিরিক্ত কাজ সম্পন্ন করেন। তবে পরবর্তীতে তিনি ময়মনসিংহ থেকে বদলি হয়ে চলে যাওয়ার  পর ঠিকাদার এসকল কাজের চূড়ান্ত বিলে দুইতলা ওয়াসব্লক কাজের ভ্যারিয়েশন সহ বিল ফরম জমা দিলে। বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী তা অনুমোদন না দিয়ে কার্যাদেশ মূলে বিল অনুমোদন করেন। ফলে ঠিকাদার যে অতিরিক্ত কাজ করেছিলো তা বাতিল হয়ে যায়। ফলে তার টাকা ফেরত দিতে হয়। যা ছিলো উদ্দেশ্যমূলক ও অমানবিক। ভালুকা উপজেলায় অতিরিক্ত বিল প্রদানের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি ভিন্নমত পোষণ করে বলেন,সরেজমিনে পরিদর্শন করলে দেখা যাবে সেখানে বিলের তুলনায় কাজের অগ্রগতি বেশি। কোথাও কাজ অসম্পন্ন থাকলে তা বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্তদের সময়কালের বিষয়। গৌরীপুর ও মুক্তাগাছা উপজেলায় লার্জ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিমে ৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিল পরিশোধের অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ কাল্পনিক বলে দাবি করেন। এ ধরনের কোনো বিল সম্পর্কে তিনি অবগত নন বলেও জানান। একই সঙ্গে গৌরীপুর উপজেলার স্মল পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিমে টেন্ডার মূল্যায়ন ও বিল প্রদান প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। হালুয়াঘাট উপজেলায় সাবমার্সিবল পাম্প ও টিউবওয়েল স্থাপন না করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন,উক্ত প্রকল্পে এখনো চূড়ান্ত বিল প্রদান করা হয়নি। তিনি আরও বলেন,যথাযথ যাচাই ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়া তাঁর নাম জড়িয়ে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ অনাকাঙ্ক্ষিত ও মানহানিকর।  সত্য উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরজমিন পরিদর্শনে ই সবকিছু ক্লিয়ার হয়ে যেতে  পারে বলে  তিনি মত প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে জানতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ময়মনসিংহের বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ছামিউল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের

প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীর

আপডেট সময় ০৯:৩০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীর

 

 

ময়মনসিংহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত একটি সংবাদ গত ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হলে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন সংস্থাটির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেন। এক লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,প্রকাশিত সংবাদের অভিযোগগুলো বাস্তবতা বিবর্জিত,বিভ্রান্তিকর এবং একতরফা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংবাদে তাঁর বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে কাজ না করে বিল উত্তোলনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে,তা সম্পূর্ণ অসত্য বলে তিনি দাবি করেন। মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলীর সরাসরি কোনো ঠিকাদারকে বিল প্রদানের ক্ষমতা নেই। সংশ্লিষ্ট উপজেলার সহকারী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের কাজের পরিমাপ,কাজ সম্পন্নের প্রতিবেদন এবং নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতেই বিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে। তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে ময়মনসিংহ জেলায় কাজ না করে বা কাজ কম করে বিল উত্তোলনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি দাবি করেন। বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সংবাদে ময়মনসিংহ সদর,ফুলপুর ও হালুয়াঘাট উপজেলার ৮৪৪, ৮৪৫ ও ৮৫৬ নম্বর প্যাকেজে অতিরিক্ত বিল উত্তোলনের যে অভিযোগ করা হয়েছে,সে বিষয়ে তিনি বলেন—এসব প্যাকেজে একতলা ওয়াসব্লক নির্মাণের কার্যাদেশ থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ভবন দুইতলা হওয়ায় প্রকল্প পরিচালকের মৌখিক নির্দেশে ঠিকাদার অতিরিক্ত কাজ সম্পন্ন করেন। তবে পরবর্তীতে তিনি ময়মনসিংহ থেকে বদলি হয়ে চলে যাওয়ার  পর ঠিকাদার এসকল কাজের চূড়ান্ত বিলে দুইতলা ওয়াসব্লক কাজের ভ্যারিয়েশন সহ বিল ফরম জমা দিলে। বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী তা অনুমোদন না দিয়ে কার্যাদেশ মূলে বিল অনুমোদন করেন। ফলে ঠিকাদার যে অতিরিক্ত কাজ করেছিলো তা বাতিল হয়ে যায়। ফলে তার টাকা ফেরত দিতে হয়। যা ছিলো উদ্দেশ্যমূলক ও অমানবিক। ভালুকা উপজেলায় অতিরিক্ত বিল প্রদানের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি ভিন্নমত পোষণ করে বলেন,সরেজমিনে পরিদর্শন করলে দেখা যাবে সেখানে বিলের তুলনায় কাজের অগ্রগতি বেশি। কোথাও কাজ অসম্পন্ন থাকলে তা বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্তদের সময়কালের বিষয়। গৌরীপুর ও মুক্তাগাছা উপজেলায় লার্জ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিমে ৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিল পরিশোধের অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ কাল্পনিক বলে দাবি করেন। এ ধরনের কোনো বিল সম্পর্কে তিনি অবগত নন বলেও জানান। একই সঙ্গে গৌরীপুর উপজেলার স্মল পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিমে টেন্ডার মূল্যায়ন ও বিল প্রদান প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। হালুয়াঘাট উপজেলায় সাবমার্সিবল পাম্প ও টিউবওয়েল স্থাপন না করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন,উক্ত প্রকল্পে এখনো চূড়ান্ত বিল প্রদান করা হয়নি। তিনি আরও বলেন,যথাযথ যাচাই ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়া তাঁর নাম জড়িয়ে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ অনাকাঙ্ক্ষিত ও মানহানিকর।  সত্য উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরজমিন পরিদর্শনে ই সবকিছু ক্লিয়ার হয়ে যেতে  পারে বলে  তিনি মত প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে জানতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ময়মনসিংহের বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ছামিউল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।