ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র Logo বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে ড. আব্দুল মঈন খান Logo ময়মনসিংহে ভয় ও অপরাধ: চাঁদাবাজি–লুটপাট
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালীতে আইনের প্রতি অবজ্ঞা:–পরপর তিন অভিযোগের পরও ব্যবস্থা শূন্য

ময়মনসিংহ কোতোয়ালীতে আইনের প্রতি অবজ্ঞা:–পরপর তিন অভিযোগের পরও ব্যবস্থা শূন্য!

ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার ভাটি ঘাগড়া এলাকায় একের পর এক গুরুতর অভিযোগের পরও পুলিশ কর্মীদের জবাবদিহিতা না থাকায়, মাত্র ১৪ বছরের স্কুলছাত্র আশিকের নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে—এ নিয়ে পুরো এলাকা শোক–বিক্ষোভে মুখর। স্থানীয়দের কথায়,থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এএসআই আব্দুল আলীর অবহেলা,দুর্বৃত্তদের প্রশ্রয় ও থানা-ভিত্তিক অনিয়মই এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে মূল কারণ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই জনমনে ক্ষোভের জোয়ার—“এএসআই বা ভারপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেই?”—এমন প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগের সারমর্ম— ১) ধর্ষণ মামলা ওঠার পর হুমকি: ভুক্তভোগী শিউলী আক্তার জানান,নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা ধর্ষণ মামলা (নং-২১৬/২০২৫) করার পর থেকেই আসামিরা এবং তাদের সমর্থকরা পরিবারকে নিয়মিতভাবে মামলা তুলে নিতে চাপ ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছিল। ২৪ অক্টোবর সকালে ‘দরবার শালিশ’ নামক ফাঁদে ডেকে নিয়ে,স্বামীসহ–শিউলীকে মারধর করে,চুল ধরা-টানা ও লাঠি–সোটা দিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। স্থানীয়রা বলছেন, তদন্তের দায়িত্বে থাকা এএসআই আব্দুল আলী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। ২) পূজামণ্ডপ থেকে শিশু রিয়াদের মোবাইল ছিনতাই: ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে দুর্গাপূজা দেখতে যাওয়া ১৪ বছরের রিয়াদকে মারধর করে তার মোবাইল Redmi Note 11 ছিনিয়ে নেওয়া হয় শাহিন ও সিফাত নামে দুই যুবকের হাতে। পরিবার থানায় অভিযোগ দিলেও, অভিযোগকারীর দাবী—“এএসআই আলী সময়ক্ষেপণ করেছেন; কোনো জবাবদিহি হয়নি।” ৩)নিখোঁজ আশিক—দুই দিন পর উদ্ধার অর্ধগলিত লাশ: ৩০ অক্টোবর সন্ধ্যায় প্রতিবেশী শাহিন–আশিককে ডেকে নিয়ে যায়। পরদিন সন্ধ্যায়ও না পেয়ে মর্মান্তিক আতঙ্কে থানায় সংবাদ দিতে বসে পরিবার—কিন্তু ২ নভেম্বর সকালে আশিকের অর্ধগলিত দেহ উদ্ধার হয় গ্রামের এক বাউন্ডারির পুকুর থেকে। মৃতদেহে কপাল ও মাথায় ছিদ্রসহ একাধিক জখমের চিহ্ন, চোখের ওপর তিনটি গভীর ক্ষত—স্তব্ধকারী কৌশলে গুম করে পানিতে ফেলা হয়েছে বলে পরিবার ও স্থানীয়রা সন্দেহ প্রকাশ করছেন। পরিবারের অভিযোগ, “আশিককে ডেকে নেওয়া শাহিন পলাতক—এএসআই আলী তাকে পালাতে সাহায্য করেছেন।” ঘটনার পর যদিও সেই বিট এলাকায় তার ওপর নজরদারি ও মনিটরিং দায়িত্বের জন্য এস আই খালিদকে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত এবং মনিটরিং পদ্ধতির বাস্তবায়ন-প্রকরণ কেন নেওয়া হলো—তার দায় ও দায়িত্ব পালন সম্পর্কে সর্বোচ্চ জবাবদিহিতার দাবি উঠেছে স্থানীয় জনগণ ও সামাজিক সংগঠনগুলো থেকে। আইনগত ভাবে কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবহেলা, পক্ষপাত বা অপরাধীকে পালাতে সহায়তার অভিযোগ উঠলে তাকে শুধু বিট পরিবর্তন নয়—তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ ও বিভাগীয় এবং ফৌজদারি তদন্ত শুরু করা আইন ও আচরণবিধির বাধ্যবাধকতা। অভিযোগ আমলে না নেওয়া,সময়ক্ষেপণ করা বা হুমকি-সুরক্ষা উপেক্ষা করা—দণ্ডবিধির গুরুতর লঙ্ঘন। তাই এএসআই আলীকে কেবল মনিটরিং নয়—আইনি প্রক্রিয়ায় প্রধান আসামির সমতুল্য জবাবদিহির আওতায় আনাই আইনসম্মত ও বাধ্যতামূলক।
সচেতন মহলের নেতারা এক সুরে দাবি করছেন, “মনিটরিং দেওয়া মানেই প্ররোচিত সন্দেহ–ক্লিনচিট নয়; তদন্ত ও জবাবদিহিতা ছাড়া এই ধাঁচেই কোনো প্রান্তিক ঘটনায় রাষ্ট্রের নৈতিক ও প্রশাসনিক দায় মুছে যাবে না।” স্থানীয় জনমত ও সামাজিক সংগঠন গুলোর দাবি ও প্রতিক্রিয়া:
স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছে—“এএসআই আঃ আলীকে কেন গ্রেফতার করা হলো না? কেন মনিটরিং দিয়ে অবৈধভাবে ঘটনা ঢাকাধার করা হচ্ছে?”
সচেতন নাগরিকরা পুলিশি ভূমিকায় তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি বিভাগীয় অনুসন্ধান ও স্বতন্ত্র সিবিআই স্তরের তদন্তের কথাও বলছেন এলাকাবাসী। দুর্বৃত্তদের সশস্ত্র রক্ষার ‘পলিসি’ অনুসরণ করা হলে—এ ভবিষ্যতের আশিকদের জন্য বারবার মৃত্যুর পথকে খোলা রাখবে। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার আখতার উল আলম বলেন–তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রাষ্ট্রীয় হাইকমান্ড ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতি আকুতি: ধর্ষণ—ছিনতাই—গুম—হত্যার এই ধারাবাহিক অভিযোগে যদি পুলিশের ভূমিকা বা অবহেলা প্রমাণিত হয়,তবে তা জাতীয় ক্ষত হয়ে দাঁড়াবে। সুষ্ঠু,স্বচ্ছ ও সময়মতো বিচারই একমাত্র পথ—যাতে পুলিশ ও রাষ্ট্রের মর্যাদা বজায় থাকে এবং ভবিষ্যতে আর কোন আশিকের জীবন ফুরোবে না। গণমাধ্যম বিশ্বাস করে—আইনের চোখে সবাই সমান। দোষী যেই হোক—নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে; নাহলে জনগণ ও নৈতিকতার সামনে প্রতিষ্ঠিত কোনো ক্ষমতা রহস্যময় ভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের

ময়মনসিংহ কোতোয়ালীতে আইনের প্রতি অবজ্ঞা:–পরপর তিন অভিযোগের পরও ব্যবস্থা শূন্য

আপডেট সময় ০৯:৫৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

ময়মনসিংহ কোতোয়ালীতে আইনের প্রতি অবজ্ঞা:–পরপর তিন অভিযোগের পরও ব্যবস্থা শূন্য!

ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার ভাটি ঘাগড়া এলাকায় একের পর এক গুরুতর অভিযোগের পরও পুলিশ কর্মীদের জবাবদিহিতা না থাকায়, মাত্র ১৪ বছরের স্কুলছাত্র আশিকের নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে—এ নিয়ে পুরো এলাকা শোক–বিক্ষোভে মুখর। স্থানীয়দের কথায়,থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এএসআই আব্দুল আলীর অবহেলা,দুর্বৃত্তদের প্রশ্রয় ও থানা-ভিত্তিক অনিয়মই এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে মূল কারণ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই জনমনে ক্ষোভের জোয়ার—“এএসআই বা ভারপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেই?”—এমন প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগের সারমর্ম— ১) ধর্ষণ মামলা ওঠার পর হুমকি: ভুক্তভোগী শিউলী আক্তার জানান,নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা ধর্ষণ মামলা (নং-২১৬/২০২৫) করার পর থেকেই আসামিরা এবং তাদের সমর্থকরা পরিবারকে নিয়মিতভাবে মামলা তুলে নিতে চাপ ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছিল। ২৪ অক্টোবর সকালে ‘দরবার শালিশ’ নামক ফাঁদে ডেকে নিয়ে,স্বামীসহ–শিউলীকে মারধর করে,চুল ধরা-টানা ও লাঠি–সোটা দিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। স্থানীয়রা বলছেন, তদন্তের দায়িত্বে থাকা এএসআই আব্দুল আলী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। ২) পূজামণ্ডপ থেকে শিশু রিয়াদের মোবাইল ছিনতাই: ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে দুর্গাপূজা দেখতে যাওয়া ১৪ বছরের রিয়াদকে মারধর করে তার মোবাইল Redmi Note 11 ছিনিয়ে নেওয়া হয় শাহিন ও সিফাত নামে দুই যুবকের হাতে। পরিবার থানায় অভিযোগ দিলেও, অভিযোগকারীর দাবী—“এএসআই আলী সময়ক্ষেপণ করেছেন; কোনো জবাবদিহি হয়নি।” ৩)নিখোঁজ আশিক—দুই দিন পর উদ্ধার অর্ধগলিত লাশ: ৩০ অক্টোবর সন্ধ্যায় প্রতিবেশী শাহিন–আশিককে ডেকে নিয়ে যায়। পরদিন সন্ধ্যায়ও না পেয়ে মর্মান্তিক আতঙ্কে থানায় সংবাদ দিতে বসে পরিবার—কিন্তু ২ নভেম্বর সকালে আশিকের অর্ধগলিত দেহ উদ্ধার হয় গ্রামের এক বাউন্ডারির পুকুর থেকে। মৃতদেহে কপাল ও মাথায় ছিদ্রসহ একাধিক জখমের চিহ্ন, চোখের ওপর তিনটি গভীর ক্ষত—স্তব্ধকারী কৌশলে গুম করে পানিতে ফেলা হয়েছে বলে পরিবার ও স্থানীয়রা সন্দেহ প্রকাশ করছেন। পরিবারের অভিযোগ, “আশিককে ডেকে নেওয়া শাহিন পলাতক—এএসআই আলী তাকে পালাতে সাহায্য করেছেন।” ঘটনার পর যদিও সেই বিট এলাকায় তার ওপর নজরদারি ও মনিটরিং দায়িত্বের জন্য এস আই খালিদকে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত এবং মনিটরিং পদ্ধতির বাস্তবায়ন-প্রকরণ কেন নেওয়া হলো—তার দায় ও দায়িত্ব পালন সম্পর্কে সর্বোচ্চ জবাবদিহিতার দাবি উঠেছে স্থানীয় জনগণ ও সামাজিক সংগঠনগুলো থেকে। আইনগত ভাবে কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবহেলা, পক্ষপাত বা অপরাধীকে পালাতে সহায়তার অভিযোগ উঠলে তাকে শুধু বিট পরিবর্তন নয়—তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ ও বিভাগীয় এবং ফৌজদারি তদন্ত শুরু করা আইন ও আচরণবিধির বাধ্যবাধকতা। অভিযোগ আমলে না নেওয়া,সময়ক্ষেপণ করা বা হুমকি-সুরক্ষা উপেক্ষা করা—দণ্ডবিধির গুরুতর লঙ্ঘন। তাই এএসআই আলীকে কেবল মনিটরিং নয়—আইনি প্রক্রিয়ায় প্রধান আসামির সমতুল্য জবাবদিহির আওতায় আনাই আইনসম্মত ও বাধ্যতামূলক।
সচেতন মহলের নেতারা এক সুরে দাবি করছেন, “মনিটরিং দেওয়া মানেই প্ররোচিত সন্দেহ–ক্লিনচিট নয়; তদন্ত ও জবাবদিহিতা ছাড়া এই ধাঁচেই কোনো প্রান্তিক ঘটনায় রাষ্ট্রের নৈতিক ও প্রশাসনিক দায় মুছে যাবে না।” স্থানীয় জনমত ও সামাজিক সংগঠন গুলোর দাবি ও প্রতিক্রিয়া:
স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছে—“এএসআই আঃ আলীকে কেন গ্রেফতার করা হলো না? কেন মনিটরিং দিয়ে অবৈধভাবে ঘটনা ঢাকাধার করা হচ্ছে?”
সচেতন নাগরিকরা পুলিশি ভূমিকায় তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি বিভাগীয় অনুসন্ধান ও স্বতন্ত্র সিবিআই স্তরের তদন্তের কথাও বলছেন এলাকাবাসী। দুর্বৃত্তদের সশস্ত্র রক্ষার ‘পলিসি’ অনুসরণ করা হলে—এ ভবিষ্যতের আশিকদের জন্য বারবার মৃত্যুর পথকে খোলা রাখবে। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার আখতার উল আলম বলেন–তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রাষ্ট্রীয় হাইকমান্ড ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতি আকুতি: ধর্ষণ—ছিনতাই—গুম—হত্যার এই ধারাবাহিক অভিযোগে যদি পুলিশের ভূমিকা বা অবহেলা প্রমাণিত হয়,তবে তা জাতীয় ক্ষত হয়ে দাঁড়াবে। সুষ্ঠু,স্বচ্ছ ও সময়মতো বিচারই একমাত্র পথ—যাতে পুলিশ ও রাষ্ট্রের মর্যাদা বজায় থাকে এবং ভবিষ্যতে আর কোন আশিকের জীবন ফুরোবে না। গণমাধ্যম বিশ্বাস করে—আইনের চোখে সবাই সমান। দোষী যেই হোক—নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে; নাহলে জনগণ ও নৈতিকতার সামনে প্রতিষ্ঠিত কোনো ক্ষমতা রহস্যময় ভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।