ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র Logo বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে ড. আব্দুল মঈন খান Logo ময়মনসিংহে ভয় ও অপরাধ: চাঁদাবাজি–লুটপাট
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর হামলা—পুলিশ সুপার আখতার উল আলম বললেন ‘দোষী পুলিশ রেহাই পাবে না’

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:২৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর হামলা—পুলিশ সুপার আখতার উল আলম বললেন ‘দোষী পুলিশ রেহাই পাবে না’

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা থামাতে পুলিশের একাংশ ও মাদকচক্রের যোগসাজশে ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইলের ভয়ংকর এক ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে ময়মনসিংহে। অভিযোগ উঠেছে—এক তরুণ অনুসন্ধানী সাংবাদিককে ভয় দেখিয়ে, ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে, তদন্ত থামানোর চেষ্টা চালিয়েছে পুলিশ সদস্যদের একটি সিন্ডিকেট। এই ঘটনা শুধু একজন সাংবাদিকের নয়—এটি দেশের গণমাধ্যম স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় সুশাসনের জন্য বড় ধরনের হুমকির ইঙ্গিত দিচ্ছে। “জীবন ও পেশাগত নিরাপত্তা চাই”—রাষ্ট্রের কাছে আবেদন সাংবাদিক মামুনেরঃ
ময়মনসিংহ নগরের অনুসন্ধানী সাংবাদিক মামুনুর রশীদ মামুন জানান,কেওয়াটখালী রেললাইন এলাকায় মাদকচক্রের বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে তিনি ছদ্মবেশে তথ্য সংগ্রহ করেন। ঠিক সেই সময়ে মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যদের বিশ্বাস অর্জনের নামে তাকে অনিচ্ছাকৃতভাবে অল্প পরিমাণ গাঁজা সেবন করানো হয়, আর সেই মুহূর্তে গোপনে ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়।
পরে ঠিক সেই ভিডিওই তার বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়—“সংবাদ করলে ভিডিও ছড়িয়ে দেবে, মেরে ফেলার ভয় দেখাবে, মানহানি করবে”—বলেন তিনি। তার অভিযোগ—৭ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে কোতোয়ালি থানার এসআই খালিদ হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও পাঠিয়ে সাথে সাথেই মুছে ফেলেন, যেন কোনও প্রমাণ না থাকে। হুমকি ছিল—“ঘাগড়া খুনের সংবাদ করলে খারাপ ফল হবে।” এছাড়া এএসআই আলী ও এসআই মোস্তাফিজকে জড়িয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা, ভয়েস কল, ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রমাণ তার কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। অভিযোগ:সাংবাদিকের পূর্ববর্তী প্রতিবেদন থেকেই শুরু হয় ভয়ভীতি! সূত্র বলছে—একটি হত্যা মামলার তদন্তে এএসআই আব্দুল আলীর গাফিলতি ও পক্ষপাতিত্ব নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই চক্রটি সাংবাদিককে চুপ করানোর তৎপরতা শুরু করে।—হুমকি—প্রভাব খাটানো—ব্ল্যাকমেইল সব মিলিয়ে সাংবাদিককে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলার আয়োজন শুরু হয়।
অবশেষে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ—“বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে” এই ভয়াবহ অভিযোগ গুলো ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার আখতার উল আলমের নজরে এলে তিনি বিষয়টি আমলে নেন এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দেন। পুলিশ সুপার আখতার উল আলম বলেন—
“অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। কোনও পুলিশ সদস্য যদি এমন অপকর্মে যুক্ত থাকে,কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।” এটি স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও নাগরিকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি তৈরি করেছে। সচেতন মহলের কড়া মন্তব্য—“রাষ্ট্র ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে”। স্থানীয় নাগরিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন মহল বলেন—
“কয়েকজন পুলিশের জন্য পুরো বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। যদি এদের বিরুদ্ধে উদাহরণমূলক শাস্তি না হয়,ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা পুরোপুরি ঝুঁকির মুখে পড়বে।” তারা আরও বলেন—“মাদকচক্র–পুলিশ সিন্ডিকেট মিলে যদি সাংবাদিকতাকে স্তব্ধ করে দেয়—তাহলে রাষ্ট্রের আইন–শৃঙ্খলা কোথায়?” বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য—“ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল প্রেস স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত”! ডিজিটাল নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলেন—সাংবাদিকতা যখন অপরাধ চক্র ধরে,তখন সেই চক্রের পাল্টা আক্রমণ প্রতিহত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।—ব্ল্যাকমেইল, ভয়ভীতি ও ডিজিটাল হুমকি—আইসিটি অ্যাক্ট অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ।—এই ঘটনা পুরো দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে।
অভিযুক্তদের মন্তব্য পাওয়া যায়নিঃ এএসআই আলী ও এসআই খালিদের সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা কোনও মন্তব্য দিতে রাজি হননি। থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও এখনও কোনও লিখিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সাংবাদিক সমাজের প্রশ্ন—“সত্য বললে দেশে নিরাপত্তা নেই?” গণমাধ্যমকর্মীরা প্রশ্ন তুলছেন—“সত্য প্রকাশ করা কি এখন অপরাধ? সাংবাদিক কি শুধু বইয়ের পাতায় স্বাধীন?” “মাদকচক্র–পুলিশ সিন্ডিকেটকে থামাবে কে?” “রাষ্ট্র কি তার জনগণ ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে?”
সাংবাদিক মামুনের রাষ্ট্রীয় আবেদন—চার দফা দাবিঃ ১.অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ ও আইনানুগ ব্যবস্থা। ২.সাংবাদিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৩.ব্ল্যাকমেইলে ব্যবহৃত ভিডিও জব্দ ও উৎস শনাক্ত।৪.সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে ব্ল্যাকমেইল–হুমকি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা। জাতীয় নিরাপত্তা,গণমাধ্যম স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের পরীক্ষা আজ! এই ঘটনা শুধু একজন সাংবাদিকের নয়—এটি দেশের গণতন্ত্র,প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলার সুনাম রক্ষার পরীক্ষা। রাষ্ট্র যদি এখনই শক্ত পদক্ষেপ না নেয়,তবে—অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা—জনস্বার্থে প্রতিবেদন—দুর্নীতি বিরোধী কাজ–সবই মারাত্মক বিপদের মুখে পড়ে যাবে। সরকারের হাইকমান্ডের নির্দেশনা পেলে পরবর্তী আপডেট জানানো হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর হামলা—পুলিশ সুপার আখতার উল আলম বললেন ‘দোষী পুলিশ রেহাই পাবে না’

আপডেট সময় ১০:২৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর হামলা—পুলিশ সুপার আখতার উল আলম বললেন ‘দোষী পুলিশ রেহাই পাবে না’

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা থামাতে পুলিশের একাংশ ও মাদকচক্রের যোগসাজশে ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইলের ভয়ংকর এক ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে ময়মনসিংহে। অভিযোগ উঠেছে—এক তরুণ অনুসন্ধানী সাংবাদিককে ভয় দেখিয়ে, ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে, তদন্ত থামানোর চেষ্টা চালিয়েছে পুলিশ সদস্যদের একটি সিন্ডিকেট। এই ঘটনা শুধু একজন সাংবাদিকের নয়—এটি দেশের গণমাধ্যম স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় সুশাসনের জন্য বড় ধরনের হুমকির ইঙ্গিত দিচ্ছে। “জীবন ও পেশাগত নিরাপত্তা চাই”—রাষ্ট্রের কাছে আবেদন সাংবাদিক মামুনেরঃ
ময়মনসিংহ নগরের অনুসন্ধানী সাংবাদিক মামুনুর রশীদ মামুন জানান,কেওয়াটখালী রেললাইন এলাকায় মাদকচক্রের বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে তিনি ছদ্মবেশে তথ্য সংগ্রহ করেন। ঠিক সেই সময়ে মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যদের বিশ্বাস অর্জনের নামে তাকে অনিচ্ছাকৃতভাবে অল্প পরিমাণ গাঁজা সেবন করানো হয়, আর সেই মুহূর্তে গোপনে ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়।
পরে ঠিক সেই ভিডিওই তার বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়—“সংবাদ করলে ভিডিও ছড়িয়ে দেবে, মেরে ফেলার ভয় দেখাবে, মানহানি করবে”—বলেন তিনি। তার অভিযোগ—৭ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে কোতোয়ালি থানার এসআই খালিদ হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও পাঠিয়ে সাথে সাথেই মুছে ফেলেন, যেন কোনও প্রমাণ না থাকে। হুমকি ছিল—“ঘাগড়া খুনের সংবাদ করলে খারাপ ফল হবে।” এছাড়া এএসআই আলী ও এসআই মোস্তাফিজকে জড়িয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা, ভয়েস কল, ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রমাণ তার কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। অভিযোগ:সাংবাদিকের পূর্ববর্তী প্রতিবেদন থেকেই শুরু হয় ভয়ভীতি! সূত্র বলছে—একটি হত্যা মামলার তদন্তে এএসআই আব্দুল আলীর গাফিলতি ও পক্ষপাতিত্ব নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই চক্রটি সাংবাদিককে চুপ করানোর তৎপরতা শুরু করে।—হুমকি—প্রভাব খাটানো—ব্ল্যাকমেইল সব মিলিয়ে সাংবাদিককে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলার আয়োজন শুরু হয়।
অবশেষে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ—“বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে” এই ভয়াবহ অভিযোগ গুলো ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার আখতার উল আলমের নজরে এলে তিনি বিষয়টি আমলে নেন এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দেন। পুলিশ সুপার আখতার উল আলম বলেন—
“অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। কোনও পুলিশ সদস্য যদি এমন অপকর্মে যুক্ত থাকে,কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।” এটি স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও নাগরিকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি তৈরি করেছে। সচেতন মহলের কড়া মন্তব্য—“রাষ্ট্র ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে”। স্থানীয় নাগরিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন মহল বলেন—
“কয়েকজন পুলিশের জন্য পুরো বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। যদি এদের বিরুদ্ধে উদাহরণমূলক শাস্তি না হয়,ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা পুরোপুরি ঝুঁকির মুখে পড়বে।” তারা আরও বলেন—“মাদকচক্র–পুলিশ সিন্ডিকেট মিলে যদি সাংবাদিকতাকে স্তব্ধ করে দেয়—তাহলে রাষ্ট্রের আইন–শৃঙ্খলা কোথায়?” বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য—“ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল প্রেস স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত”! ডিজিটাল নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলেন—সাংবাদিকতা যখন অপরাধ চক্র ধরে,তখন সেই চক্রের পাল্টা আক্রমণ প্রতিহত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।—ব্ল্যাকমেইল, ভয়ভীতি ও ডিজিটাল হুমকি—আইসিটি অ্যাক্ট অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ।—এই ঘটনা পুরো দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে।
অভিযুক্তদের মন্তব্য পাওয়া যায়নিঃ এএসআই আলী ও এসআই খালিদের সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা কোনও মন্তব্য দিতে রাজি হননি। থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও এখনও কোনও লিখিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সাংবাদিক সমাজের প্রশ্ন—“সত্য বললে দেশে নিরাপত্তা নেই?” গণমাধ্যমকর্মীরা প্রশ্ন তুলছেন—“সত্য প্রকাশ করা কি এখন অপরাধ? সাংবাদিক কি শুধু বইয়ের পাতায় স্বাধীন?” “মাদকচক্র–পুলিশ সিন্ডিকেটকে থামাবে কে?” “রাষ্ট্র কি তার জনগণ ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে?”
সাংবাদিক মামুনের রাষ্ট্রীয় আবেদন—চার দফা দাবিঃ ১.অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ ও আইনানুগ ব্যবস্থা। ২.সাংবাদিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৩.ব্ল্যাকমেইলে ব্যবহৃত ভিডিও জব্দ ও উৎস শনাক্ত।৪.সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে ব্ল্যাকমেইল–হুমকি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা। জাতীয় নিরাপত্তা,গণমাধ্যম স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের পরীক্ষা আজ! এই ঘটনা শুধু একজন সাংবাদিকের নয়—এটি দেশের গণতন্ত্র,প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলার সুনাম রক্ষার পরীক্ষা। রাষ্ট্র যদি এখনই শক্ত পদক্ষেপ না নেয়,তবে—অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা—জনস্বার্থে প্রতিবেদন—দুর্নীতি বিরোধী কাজ–সবই মারাত্মক বিপদের মুখে পড়ে যাবে। সরকারের হাইকমান্ডের নির্দেশনা পেলে পরবর্তী আপডেট জানানো হবে।