ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র Logo বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে ড. আব্দুল মঈন খান Logo ময়মনসিংহে ভয় ও অপরাধ: চাঁদাবাজি–লুটপাট
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।

কাগজে উন্নয়ন, মাঠে নেই অস্তিত্ব—পিআইও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহকে ঘিরে ত্রিশালের প্রকল্প কেলেঙ্কারি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

কাগজে উন্নয়ন, মাঠে নেই অস্তিত্ব—পিআইও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহকে ঘিরে ত্রিশালের প্রকল্প কেলেঙ্কারি

 

 

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১০নং মঠবাড়ী ইউনিয়নে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়নে ভয়াবহ অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জোরালো হচ্ছে। ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ অর্থবছরের প্রথম,দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে বরাদ্দ পাওয়া মোট ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্পে মাঠপর্যায়ে কোনো কাজ না করেই কাগজে-কলমে সম্পন্ন দেখিয়ে প্রায় ৭৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের পক্ষে মো. বাবুল মিয়া দুদক চেয়ারম্যান বরাবর একটি বিস্তারিত লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগপত্রে প্রকল্পভিত্তিক বরাদ্দ, বাস্তব অবস্থা ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার তথ্য সংযুক্ত রয়েছে। কাগজে প্রকল্প, মাঠে নেই অস্তিত্ব! অভিযোগ অনুযায়ী,মঠবাড়ী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে রাস্তা সংস্কার,ড্রেন, কালভার্ট,মাটি ভরাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের নামে বরাদ্দ দেওয়া হলেও সরেজমিনে কোনো কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি—যেসব প্রকল্প কাগজে শতভাগ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে,বাস্তবে সেসব স্থানে বছরের পর বছর কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। ডিজিটাল তথ্য বোর্ডে প্রকল্পের নাম থাকলেও মাঠে কাজের চিহ্ন না থাকায় প্রকল্প অনুমোদন ও বিল ছাড় প্রক্রিয়া নিয়েই বড় প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে পিআইও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ! এই কেলেঙ্কারির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ত্রিশাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। স্থানীয়দের অভিযোগ—প্রকল্প যাচাই, কাজের সমাপ্তি সনদ প্রদান এবং বিল ছাড়ের প্রতিটি ধাপেই তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

দুদকের এক সাবেক কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন,“মাঠপর্যায়ে কাজ না হলে পিআইওর যাচাই ছাড়া কোনোভাবেই বিল পাস হওয়ার সুযোগ নেই। পুরো ব্যবস্থার মূল নিয়ন্ত্রকই পিআইও।” বদলি হলেও প্রশ্ন থেকেই যায়–

অভিযোগের প্রেক্ষাপটে মোহাম্মদ শহিদুল্লাহকে সম্প্রতি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন—এই বদলি কি শাস্তি,নাকি দায় এড়ানোর কৌশল?

তাদের মতে,তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে বদলি না করে সাময়িক বরখাস্ত করা হলে সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত হতো। অন্যান্য ইউনিয়নের প্রকল্পও খতিয়ে দেখার দাবিঃ সচেতন মহলের নেতৃবৃন্দ জানান, শুধু মঠবাড়ী ইউনিয়ন নয়—ত্রিশাল উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নে গত কয়েক বছরের টিআর,কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নও পূর্ণাঙ্গভাবে অডিট করা জরুরি।

একজন স্থানীয় নাগরিক প্রতিনিধি বলেন,

“একটি ইউনিয়নে এত বড় অনিয়ম হলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে—অন্য ইউনিয়ন গুলোতে কী হয়েছে? পুরো উপজেলায় প্রকল্প অডিট না করলে সত্য বের হবে না।” সচেতন মহলের সুস্পষ্ট দাবিঃ সচেতন সমাজের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে—দুদকের নেতৃত্বে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনঃ মঠবাড়ী সহ উপজেলার সব ইউনিয়নের প্রকল্প পুনঃপরিদর্শন ও বিশেষ অডিট,আত্মসাত হওয়া অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত,জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা,

ভবিষ্যতে প্রকল্প বাস্তবায়নে ডিজিটাল মনিটরিং ও তৃতীয় পক্ষের তদারকি বাধ্যতামূলক করা,

দুদকের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বানঃ

অভিযোগকারী জানান,জেলা প্রশাসক,স্থানীয় সরকার বিভাগ,ত্রিশাল ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে অভিযোগের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। তদন্তে বিলম্ব হলে প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্ত পিআইওর বক্তব্যঃ তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত পিআইও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। তিনি বলেন,“আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সব প্রকল্প সরকারি বিধি-বিধান মেনেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে আমি জড়িত নই। কেউ ব্যক্তিস্বার্থে আমাকে হয়রানি করতে এসব অভিযোগ তুলেছে। তদন্ত হলে সত্য বেরিয়ে আসবে।” সচেতন মহলের মতে,ত্রিশালের এই ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ নয়—বরং গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পে কাগুজে কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের একটি সম্ভাব্য বড় চিত্র। দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে উন্নয়ন খাতে জনআস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের

কাগজে উন্নয়ন, মাঠে নেই অস্তিত্ব—পিআইও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহকে ঘিরে ত্রিশালের প্রকল্প কেলেঙ্কারি

আপডেট সময় ০৩:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

কাগজে উন্নয়ন, মাঠে নেই অস্তিত্ব—পিআইও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহকে ঘিরে ত্রিশালের প্রকল্প কেলেঙ্কারি

 

 

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১০নং মঠবাড়ী ইউনিয়নে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়নে ভয়াবহ অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জোরালো হচ্ছে। ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ অর্থবছরের প্রথম,দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে বরাদ্দ পাওয়া মোট ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্পে মাঠপর্যায়ে কোনো কাজ না করেই কাগজে-কলমে সম্পন্ন দেখিয়ে প্রায় ৭৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের পক্ষে মো. বাবুল মিয়া দুদক চেয়ারম্যান বরাবর একটি বিস্তারিত লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগপত্রে প্রকল্পভিত্তিক বরাদ্দ, বাস্তব অবস্থা ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার তথ্য সংযুক্ত রয়েছে। কাগজে প্রকল্প, মাঠে নেই অস্তিত্ব! অভিযোগ অনুযায়ী,মঠবাড়ী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে রাস্তা সংস্কার,ড্রেন, কালভার্ট,মাটি ভরাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের নামে বরাদ্দ দেওয়া হলেও সরেজমিনে কোনো কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি—যেসব প্রকল্প কাগজে শতভাগ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে,বাস্তবে সেসব স্থানে বছরের পর বছর কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। ডিজিটাল তথ্য বোর্ডে প্রকল্পের নাম থাকলেও মাঠে কাজের চিহ্ন না থাকায় প্রকল্প অনুমোদন ও বিল ছাড় প্রক্রিয়া নিয়েই বড় প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে পিআইও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ! এই কেলেঙ্কারির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ত্রিশাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। স্থানীয়দের অভিযোগ—প্রকল্প যাচাই, কাজের সমাপ্তি সনদ প্রদান এবং বিল ছাড়ের প্রতিটি ধাপেই তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

দুদকের এক সাবেক কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন,“মাঠপর্যায়ে কাজ না হলে পিআইওর যাচাই ছাড়া কোনোভাবেই বিল পাস হওয়ার সুযোগ নেই। পুরো ব্যবস্থার মূল নিয়ন্ত্রকই পিআইও।” বদলি হলেও প্রশ্ন থেকেই যায়–

অভিযোগের প্রেক্ষাপটে মোহাম্মদ শহিদুল্লাহকে সম্প্রতি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন—এই বদলি কি শাস্তি,নাকি দায় এড়ানোর কৌশল?

তাদের মতে,তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে বদলি না করে সাময়িক বরখাস্ত করা হলে সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত হতো। অন্যান্য ইউনিয়নের প্রকল্পও খতিয়ে দেখার দাবিঃ সচেতন মহলের নেতৃবৃন্দ জানান, শুধু মঠবাড়ী ইউনিয়ন নয়—ত্রিশাল উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নে গত কয়েক বছরের টিআর,কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নও পূর্ণাঙ্গভাবে অডিট করা জরুরি।

একজন স্থানীয় নাগরিক প্রতিনিধি বলেন,

“একটি ইউনিয়নে এত বড় অনিয়ম হলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে—অন্য ইউনিয়ন গুলোতে কী হয়েছে? পুরো উপজেলায় প্রকল্প অডিট না করলে সত্য বের হবে না।” সচেতন মহলের সুস্পষ্ট দাবিঃ সচেতন সমাজের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে—দুদকের নেতৃত্বে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনঃ মঠবাড়ী সহ উপজেলার সব ইউনিয়নের প্রকল্প পুনঃপরিদর্শন ও বিশেষ অডিট,আত্মসাত হওয়া অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত,জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা,

ভবিষ্যতে প্রকল্প বাস্তবায়নে ডিজিটাল মনিটরিং ও তৃতীয় পক্ষের তদারকি বাধ্যতামূলক করা,

দুদকের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বানঃ

অভিযোগকারী জানান,জেলা প্রশাসক,স্থানীয় সরকার বিভাগ,ত্রিশাল ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে অভিযোগের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। তদন্তে বিলম্ব হলে প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্ত পিআইওর বক্তব্যঃ তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত পিআইও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। তিনি বলেন,“আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সব প্রকল্প সরকারি বিধি-বিধান মেনেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে আমি জড়িত নই। কেউ ব্যক্তিস্বার্থে আমাকে হয়রানি করতে এসব অভিযোগ তুলেছে। তদন্ত হলে সত্য বেরিয়ে আসবে।” সচেতন মহলের মতে,ত্রিশালের এই ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ নয়—বরং গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পে কাগুজে কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের একটি সম্ভাব্য বড় চিত্র। দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে উন্নয়ন খাতে জনআস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।