
এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ: ৩০ বছরের গৌরবময় পথচলা
রোটারিয়ান রাবেয়া আক্তার
এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ জানুয়ারি ৪ তারীখ ২০২৬-এ তার ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে এক অনন্য ও গৌরবময় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি আলোকিত পরিবার, যেখানে জ্ঞান, মানবিকতা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের চর্চা একসঙ্গে বিকশিত হচ্ছে। গত তিন দশকে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ অসংখ্য দক্ষ ও দায়িত্বশীল মানবসম্পদ তৈরি করেছে, যারা দেশ-বিদেশে সুনামের সঙ্গে নিজেদের কর্মক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা, প্রশাসন, ব্যাংকিং, ব্যবসা ও বিভিন্ন পেশায় সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। শুধু চাকরির ক্ষেত্রেই নয়, বহু গ্র্যাজুয়েট উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের আত্মপ্রকাশ করেছেন এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এটি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষাদর্শনের বাস্তব প্রতিফলন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত আছেন খ্যাতনামা ব্যাংকের চেয়ারম্যান, সচিব, সাংবাদিক, ডিন ও প্রফেসরবৃন্দ, যারা দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সমৃদ্ধ লাইব্রেরিতে প্রায় ১,২০,০০০ বইসহ নানা শিক্ষাসামগ্রী রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও গবেষণাকে সমৃদ্ধ করছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের রয়েছে বিপুল একাডেমিক ও গবেষণামূলক প্রকাশনা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার ৩৬টি গ্রন্থ ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে এবং আরও প্রকাশনার কাজ চলমান। প্রতিষ্ঠাতা মেডাম মাতৃস্নেহে সবাইকে আগলে রেখে এই বিশাল শিক্ষা সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। এখানে দাদা, বাবা, ছেলে; মা, মেয়ে, নাতি—একাধিক প্রজন্ম একই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষালাভের সুযোগ পেয়েছে, যা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পারিবারিক বন্ধন ও আস্থার প্রতীক।
এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম কারিগর ছিলেন প্রথম ট্রেজারার মরহুম মাওলানা আব্দুল খালেক। তাঁর অনুপ্রেরণা ও অবদানে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত ও বিকশিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতবাসী করুন।৩০ বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে—এটি শুধু শিক্ষা প্রদান করে না, বরং একটি সুন্দর, মানবিক ও আলোকিত ভবিষ্যৎ নির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠান তার অবকাঠামোগত উন্নয়নেও বিস্ময়কর অগ্রগতি অর্জন করেছে। এক সময় মাত্র দুইটি রুমে যাত্রা শুরু করা বিশ্ববিদ্যালয়টি আজ ১১ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত তিনটি দশতলা আধুনিক ভবন, প্রশস্ত খেলার মাঠ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে অবস্থিত পৃথক হোস্টেল সুবিধাসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ও সমৃদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে। এই ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের অদম্য প্রত্যয়, দূরদর্শী নেতৃত্ব ও শিক্ষার প্রতি গভীর অঙ্গীকারেরই উজ্জ্বল প্রতিফলন।
লাইব্রেরিয়ান, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

ফুকরা স্ট্যান্ডে অটোভ্যান রাখার স্থান ও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় মাটি ভরাট 














