ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র Logo বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে ড. আব্দুল মঈন খান Logo ময়মনসিংহে ভয় ও অপরাধ: চাঁদাবাজি–লুটপাট
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।

চেকপোস্টে শুধু নম্বর, গাড়ি কার তা কেউ জানে না! লাইসেন্স ভাড়া নিয়ে ছড়াচ্ছে অনিয়ম

চেকপোস্টে শুধু নম্বর, গাড়ি কার তা কেউ জানে না! লাইসেন্স ভাড়া নিয়ে ছড়াচ্ছে অনিয়ম

 

ময়মনসিংহ নগরীতে বৈধ ইজিবাইক লাইসেন্সের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে এক ‘অঘোষিত ভাড়া বাজার’। একটি লাইসেন্স নম্বর দিয়ে চলছে একাধিক গাড়ি, মাসে গুনে গুনে আদায় হচ্ছে ১৫-২০ হাজার টাকা। অথচ এই লাইসেন্স শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট বাইক ও মালিকের জন্য বরাদ্দ—আইন অনুযায়ী এটি হস্তান্তরযোগ্য নয়। কি চলছে আসলে? একটি লাইসেন্স দিয়ে চলছে একাধিক ইজিবাইক মাসিক ভাড়ায় দেওয়া হচ্ছে লাইসেন্স (১৫,০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত)লাইসেন্স নম্বর দেখিয়ে চেকপোস্ট পেরোচ্ছে অবৈধ গাড়ি! প্রকৃত মালিকরা পড়ছেন হয়রানিতে,তাদের গাড়ি থাকে গ্যারেজে! আইন কী বলে? সিটি কর্পোরেশনের বিধি অনুযায়ী, প্রতিটি লাইসেন্স কেবলমাত্র একটি বাইক এবং নির্দিষ্ট মালিকের জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু এই নিয়ম এখন যেন ‘লোক দেখানো কাগজপত্র’। প্রশাসনের ভূমিকা সীমাবদ্ধ শুধু “তদন্ত চলছে” বলে আশ্বাসে! চেসিস নম্বর নিয়ে ভোগান্তি অন্যদিকে, পুরনো কিছু ইজিবাইকের চেসিস নম্বর ফ্রেমে আর দেখা যাচ্ছে না। এর ফলে কাগজ হালনাগাদ করতেই সমস্যা হচ্ছে। পেশাদার সাংবাদিক ও ইজিবাইক মালিক মামুনুর রশিদ মামুন জানান, “তিনটি গাড়ির কোনোটিরই চেসিস নম্বর দৃশ্যমান নয়, কিন্তু নিয়ম মেনে ক্রয় করা। আমি থানায় জিডি করেছি এবং সিটি কর্পোরেশনে আবেদন দিয়েছি যেন পুনঃখোদাই করে হালনাগাদে সহযোগিতা করা হয়। সংযুক্ত প্রমাণাদি: জাতীয় পরিচয়পত্র,জিডির কপি,তিনটি গাড়ির কাগজপত্র ও ছবিঃ-জনগণের প্রশ্ন:

➡️ কে দিচ্ছে এই লাইসেন্সের ছায়ায় অবৈধ গাড়ি চালানোর সুযোগ? ➡️ সিটি কর্পোরেশন বারবার অভিযোগ পাওয়ার পরও ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? ➡️ কতদিন চলবে এই আধুনিক চাঁদাবাজি?

🛑 চাই কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ:

✔️ লাইসেন্স ডিজিটাল ট্র্যাকিং

✔️ লাইসেন্স হস্তান্তর রোধে কড়া নজরদারি

✔️ চেসিস নম্বরহীন গাড়ির যাচাই-বাছাই ও পুনঃখোদাই

✔️ দালাল-চক্র ও দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা🗣️ এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলা এখন সময়ের দাবি। প্রশাসনের দায়িত্ব, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো—দালালের বাণিজ্য নয়!

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের

চেকপোস্টে শুধু নম্বর, গাড়ি কার তা কেউ জানে না! লাইসেন্স ভাড়া নিয়ে ছড়াচ্ছে অনিয়ম

আপডেট সময় ০২:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

চেকপোস্টে শুধু নম্বর, গাড়ি কার তা কেউ জানে না! লাইসেন্স ভাড়া নিয়ে ছড়াচ্ছে অনিয়ম

 

ময়মনসিংহ নগরীতে বৈধ ইজিবাইক লাইসেন্সের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে এক ‘অঘোষিত ভাড়া বাজার’। একটি লাইসেন্স নম্বর দিয়ে চলছে একাধিক গাড়ি, মাসে গুনে গুনে আদায় হচ্ছে ১৫-২০ হাজার টাকা। অথচ এই লাইসেন্স শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট বাইক ও মালিকের জন্য বরাদ্দ—আইন অনুযায়ী এটি হস্তান্তরযোগ্য নয়। কি চলছে আসলে? একটি লাইসেন্স দিয়ে চলছে একাধিক ইজিবাইক মাসিক ভাড়ায় দেওয়া হচ্ছে লাইসেন্স (১৫,০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত)লাইসেন্স নম্বর দেখিয়ে চেকপোস্ট পেরোচ্ছে অবৈধ গাড়ি! প্রকৃত মালিকরা পড়ছেন হয়রানিতে,তাদের গাড়ি থাকে গ্যারেজে! আইন কী বলে? সিটি কর্পোরেশনের বিধি অনুযায়ী, প্রতিটি লাইসেন্স কেবলমাত্র একটি বাইক এবং নির্দিষ্ট মালিকের জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু এই নিয়ম এখন যেন ‘লোক দেখানো কাগজপত্র’। প্রশাসনের ভূমিকা সীমাবদ্ধ শুধু “তদন্ত চলছে” বলে আশ্বাসে! চেসিস নম্বর নিয়ে ভোগান্তি অন্যদিকে, পুরনো কিছু ইজিবাইকের চেসিস নম্বর ফ্রেমে আর দেখা যাচ্ছে না। এর ফলে কাগজ হালনাগাদ করতেই সমস্যা হচ্ছে। পেশাদার সাংবাদিক ও ইজিবাইক মালিক মামুনুর রশিদ মামুন জানান, “তিনটি গাড়ির কোনোটিরই চেসিস নম্বর দৃশ্যমান নয়, কিন্তু নিয়ম মেনে ক্রয় করা। আমি থানায় জিডি করেছি এবং সিটি কর্পোরেশনে আবেদন দিয়েছি যেন পুনঃখোদাই করে হালনাগাদে সহযোগিতা করা হয়। সংযুক্ত প্রমাণাদি: জাতীয় পরিচয়পত্র,জিডির কপি,তিনটি গাড়ির কাগজপত্র ও ছবিঃ-জনগণের প্রশ্ন:

➡️ কে দিচ্ছে এই লাইসেন্সের ছায়ায় অবৈধ গাড়ি চালানোর সুযোগ? ➡️ সিটি কর্পোরেশন বারবার অভিযোগ পাওয়ার পরও ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? ➡️ কতদিন চলবে এই আধুনিক চাঁদাবাজি?

🛑 চাই কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ:

✔️ লাইসেন্স ডিজিটাল ট্র্যাকিং

✔️ লাইসেন্স হস্তান্তর রোধে কড়া নজরদারি

✔️ চেসিস নম্বরহীন গাড়ির যাচাই-বাছাই ও পুনঃখোদাই

✔️ দালাল-চক্র ও দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা🗣️ এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলা এখন সময়ের দাবি। প্রশাসনের দায়িত্ব, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো—দালালের বাণিজ্য নয়!