
পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে নিখুঁত নিরাপত্তা বলয় প্রশংসার কেন্দ্রবিন্দুতে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব রথযাত্রা এবার ময়মনসিংহে উদযাপিত হয়েছে নজীরবিহীন জননিরাপত্তা ও সম্পূর্ণ যানজটমুক্ত পরিবেশে। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও উৎসবটি যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগম্ভীরতা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়, যা ছিল সাধারণ মানুষের কাছে প্রশংসনীয় ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
ময়মনসিংহের সুযোগ্য পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম-এর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সরাসরি মনিটরিং এবং সময়োপযোগী দিকনির্দেশনায় গোটা শহরে ছিলো কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মাঠপর্যায়ে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন কোতোয়ালী মডেল থানার স্বনামধন্য ও দক্ষ অফিসার ইনচার্জ শিবিরুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ ও জেলা ট্রাফিক বিভাগের টি আই আবু নাছের জহির।
রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়। উৎসবস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ডিবি, টহল দল, গোয়েন্দা ইউনিট এবং ট্রাফিক বিভাগ সমন্বিতভাবে সার্বক্ষণিক কাজ করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখে এবং কোনও প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেয়নি।
পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে নিখুঁত নিরাপত্তা বলয় প্রশংসার কেন্দ্রবিন্দুতে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ
উৎসবে অংশগ্রহণকারী ও দর্শনার্থীদের মুখেও ছিল সন্তোষের ছাপ। রথযাত্রায় অংশ নেওয়া অনেকেই জানান, “এত সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে রথযাত্রা অতীতে খুব কমই দেখা গেছে। প্রশাসনের তৎপরতা ও আন্তরিকতা প্রশংসার দাবিদার।”
উল্লেখ্য, এ ধরনের উৎসব শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নয়, বরং সম্প্রীতির বার্তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দক্ষতার প্রকাশ। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ তাদের পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে আবারও প্রমাণ করলো—জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সদা প্রস্তুত।

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের 









