
ভূমিকম্পে নরসিংদীতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩ দিনেও নির্ধারণ হয়নি
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা যায়নি ৩ দিনেও। তবে আনুমানিক শতাধিক সরকারি বেসরকারি স্থাপনার কমবেশি ক্ষয়ক্ষতি, ৫ জন নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নরসিংদীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন।
রোববার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়ে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি।
জেলা প্রশাসক জানান, আগামী বুধবার ঢাকা থেকে বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি দল নরসিংদীতে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো পরিদর্শন করার পর ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যাবে।
এছাড়া, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সব দপ্তর প্রধানকে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন বলেন, নরসিংদীতে ক্ষতিগ্রস্ত বহুতল ভবনগুলো বিল্ডিং কোড মেনে নির্মাণ হয়েছে কি না- সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে সবাই যেন বিল্ডিং কোড মেনে ভবন তৈরি করেন, সে বিষয়ে সবাই সচেতন থাকার অনুরোধ করেন। ভূমিকম্পের যেহেতু কোনো পূর্বাভাস হয় না, সেহেতু কাউকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।
এর আগে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় জেলা সিভিল সার্জন, জেলার ৬ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসকবৃন্দসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে প্রথম দফার পর শনিবার সকাল ও সন্ধ্যায় আরও দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এসব ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী।
প্রথম দফার ভূমিকম্পনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় (পুরাতন), পলাশ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪টি আবাসিক ভবন, সার্কিট হাউজ, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি ভবন ও প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের 









