ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র Logo বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে ড. আব্দুল মঈন খান Logo ময়মনসিংহে ভয় ও অপরাধ: চাঁদাবাজি–লুটপাট
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।
স্বামী –স্ত্রীসহ সন্তানের মৃত্যু

মগবাজারে আবাসিক হোটেলে স্বামী –স্ত্রীসহ সন্তানের মৃত্যু

  • এমবি টিভি ডেক্স
  • আপডেট সময় ০২:২৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • ৩৯৫ বার পড়া হয়েছে

মগবাজারে আবাসিক হোটেলে স্বামী –স্ত্রীসহ সন্তানের মৃত্যু

রাজধানীর মগবাজারে আবাসিক হোটেলে স্বামী –স্ত্রীসহ সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। রোববার ২৯জুন রমনা বিভাগের উপ—পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। মৃতরা হলেন লক্ষীপুর রামগঞ্জ উপজেলার মনির,তার স্ত্রী স্বপ্না ও তাদের সন্তান আরাফাত। (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন ,প্রথমিকভাবে জানা গেছে ওই দম্পতি তাদের সন্তা কে নিয়ে লক্ষীপুররে রামগঞ্জ থেকে শনিবার বিকালে ঢাকার মগবাজারের হোটেল সুইট স্লিপে ওঠেন। রোববার সকালে দম্পতির এক আত্নীয় তাদের হোটেলে আসেন। তখন তিনি দেখতে পান স্বপ্না ও তাদের সন্তান বমি করছেন। একর্পযায়ে স্বপ্না ও তার সন্তাকে আদদ্বীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এরই মধ্যেমনির অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া ঘুলে সেকানে তার মৃত্যু হয়। তিনি বলেন তদের মৃত্যুটা কীভারে হতয়েছে,বিষক্রিয় না অন্য কোনো কারণে সেগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ছেলের চিকিৎসার জন্য তারা মগবাজারের ওই আবাসিক হোটেলে উঠেছিলন বলে প্রথমিকবাবে জানাতে পেরেছেন বলে জানা পুলিশের এ কর্মকর্তা। ডিসি মাসুদ আলম জানান, মরদেহ তিনটি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাটানো হয়েছে। এ বিষয়ে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার্ (ওসি) গেহালাম ফারু বলেন ,আমরা গুরুত্ব সহকারে ঘটনাটি পুঙ্খানু পুঙ্খভাবে তদন্ত করছি। ইতোমধ্যে তাদের রুমে এবং পুরো হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। এ ছাড়া হোটেলের আশেপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখার চেষ্টা করছি তাদের রুমে কেউ এসেছিল কিনা সন্দেহজনক কোন ব্যক্তি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ,মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব না। তবে আমাদের দুটি বিষয়কে সামনে রেখে তদন্ত করছি। আমাদের প্রথমিক ধারণা খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে অথবা,তাদেরকে কেউ বিষাক্ত কোন খাবার খাইয়েছে ইচ্ছাকৃতভাবে,তারা কারণেও তাদের মৃত্যু হতে পারে । প্রথমিকভাবে আমরা কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারিনি । আমাদের তদন্তে এবং মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এলে তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের

স্বামী –স্ত্রীসহ সন্তানের মৃত্যু

মগবাজারে আবাসিক হোটেলে স্বামী –স্ত্রীসহ সন্তানের মৃত্যু

আপডেট সময় ০২:২৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

মগবাজারে আবাসিক হোটেলে স্বামী –স্ত্রীসহ সন্তানের মৃত্যু

রাজধানীর মগবাজারে আবাসিক হোটেলে স্বামী –স্ত্রীসহ সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। রোববার ২৯জুন রমনা বিভাগের উপ—পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। মৃতরা হলেন লক্ষীপুর রামগঞ্জ উপজেলার মনির,তার স্ত্রী স্বপ্না ও তাদের সন্তান আরাফাত। (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন ,প্রথমিকভাবে জানা গেছে ওই দম্পতি তাদের সন্তা কে নিয়ে লক্ষীপুররে রামগঞ্জ থেকে শনিবার বিকালে ঢাকার মগবাজারের হোটেল সুইট স্লিপে ওঠেন। রোববার সকালে দম্পতির এক আত্নীয় তাদের হোটেলে আসেন। তখন তিনি দেখতে পান স্বপ্না ও তাদের সন্তান বমি করছেন। একর্পযায়ে স্বপ্না ও তার সন্তাকে আদদ্বীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এরই মধ্যেমনির অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া ঘুলে সেকানে তার মৃত্যু হয়। তিনি বলেন তদের মৃত্যুটা কীভারে হতয়েছে,বিষক্রিয় না অন্য কোনো কারণে সেগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ছেলের চিকিৎসার জন্য তারা মগবাজারের ওই আবাসিক হোটেলে উঠেছিলন বলে প্রথমিকবাবে জানাতে পেরেছেন বলে জানা পুলিশের এ কর্মকর্তা। ডিসি মাসুদ আলম জানান, মরদেহ তিনটি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাটানো হয়েছে। এ বিষয়ে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার্ (ওসি) গেহালাম ফারু বলেন ,আমরা গুরুত্ব সহকারে ঘটনাটি পুঙ্খানু পুঙ্খভাবে তদন্ত করছি। ইতোমধ্যে তাদের রুমে এবং পুরো হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। এ ছাড়া হোটেলের আশেপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখার চেষ্টা করছি তাদের রুমে কেউ এসেছিল কিনা সন্দেহজনক কোন ব্যক্তি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ,মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব না। তবে আমাদের দুটি বিষয়কে সামনে রেখে তদন্ত করছি। আমাদের প্রথমিক ধারণা খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে অথবা,তাদেরকে কেউ বিষাক্ত কোন খাবার খাইয়েছে ইচ্ছাকৃতভাবে,তারা কারণেও তাদের মৃত্যু হতে পারে । প্রথমিকভাবে আমরা কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারিনি । আমাদের তদন্তে এবং মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এলে তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।