ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র Logo বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে ড. আব্দুল মঈন খান Logo ময়মনসিংহে ভয় ও অপরাধ: চাঁদাবাজি–লুটপাট
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।

ময়মনসিংহে সহকারী পরিচালক রনিকে ঘিরে ভয়ংকর অভিযোগ—মাদক দমন নয়,‘সাম্রাজ্য পরিচালনার’ আভাস!

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:৫০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহে সহকারী পরিচালক রনিকে ঘিরে ভয়ংকর অভিযোগ—মাদক দমন নয়,‘সাম্রাজ্য পরিচালনার’ আভাস!

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব রাষ্ট্র যে সংস্থার কাঁধে তুলে দিয়েছে—সেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাওসারুল হাসান রনির বিরুদ্ধে উঠছে একের পর এক ভয়ংকর অভিযোগ। স্থানীয়দের ভাষায়—“তিনি মাদক দমন নয়, বরং মাদক সাম্রাজ্যের ‘রাজনীতি’ পরিচালনা করছেন।” স্থানীয় গডফাদারদের সুরক্ষা,বাইরের জেলায় সাফল্যের গল্প? সূত্র জানায়,রনির অধীনে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট ময়মনসিংহ শহর ও আশপাশে পরিচিত মাদক গডফাদারদের—(ময়না-বুচি, নজরুল-নাজু,ডালিয়া,রুমা,রুজি,স্মৃতি,কুদু, হামে,রেহেনা,দুখিনী,সুরমা,সুবর্ণা-দেলু,মোখলেস, আনু,হাফিজুল,মোফাজ্জল,আহাদ,কাইয়ুমসহ বেশ কয়েকজনকে) টাকার বিনিময়ে ‘নিরাপত্তা’ দিয়ে থাকে। বিনিময়ে প্রতি মাসে মাসোয়ারা নেওয়া হয়,যা ভাগ বণ্টন হয়: এএসআই ফারুক,
এএসআই মাহাবুব,সিপাহি পাবেল ও সিপাহি সোহেলের যৌথ সমন্বয়ে! স্থানীয়দের মতে, বাহিরের জেলায় বেশিরভাগ মামলা ও অভিযান দেখিয়ে “সাফল্যের গল্প” তৈরি করা হলেও নিজ জেলায় চলে কাঠামোগত ‘অন্ধত্ব’! উদ্ধার ও জব্দ তালিকার পার্থক্য—অভিযোগের পাহাড়! একাধিক অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদক ও মামলায় দেখানো পরিমাণের মধ্যে বিশাল অমিলের তথ্য পাওয়া গেছে: এক অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধারের পর মামলায় দেখানো হয় ১৮ কেজি!
ত্রিশাল থেকে আটক মো.সোহাগের কাছ থেকে ২,০০০ ইয়াবা পাওয়া গেলেও মামলায় দেখানো হয়েছে ১,৯৫০টি! জব্দ নগদের ক্ষেত্রেও একই ‘কম দেখানো’ অভিযোগ! পরবর্তীতে চার্জশিটেও ঘুষ বানিজ্য!  স্থানীয়রা বলছেন—“এই পার্থক্যগুলো দুর্নীতির এক গভীর চিত্র তুলে ধরে।”
অভিযুক্তের সন্দেহজনক সম্পদ! বহু বছর একই এলাকায় বা নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালন করায় রনির অধীনস্থ কর্মচারীদের অতিদ্রুত সচ্ছল হয়ে ওঠাকে ঘিরেও প্রশ্ন উঠেছে! অভিযোগে বলা হয়েছে—যেমন;এএসআই ফারুক–শম্ভুগঞ্জে জমি
,গোয়ালকান্দিতে ১৬ শতক জমি,সানকিপাড়ায় বাড়ি,গ্রামে আলিশান ভবন,এসব সম্পদের উৎস কোথায়—তা জানতে তদন্তের দাবি তুলেছেন নাগরিক সমাজ। এদিকে রনির ব্যক্তিজীবনেও বিতর্ক—স্ত্রীর মামলা ও বিবাহবিচ্ছেদ! পারিবারিক সূত্রের দাবি,রনির ব্যক্তিজীবনেও নানান অস্থিরতা রয়েছে। অভিযোগ আছে—
তার স্ত্রী মামলাও করেছেন এবং পরে তালাক দিয়েছেন। জনমত প্রশ্ন করছে—“নিজ পরিবারই যেখানে ধরে রাখতে পারেননি,দেশের তরুণ প্রজন্মকে তিনি কীভাবে রক্ষা করবেন?” ‘দীপ মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র’ বন্ধ—পরিচালকের বিস্ফোরক অভিযোগঃ–ময়মনসিংহ শহরের সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান “দীপ মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র”-এর পরিচালক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মো. আরিফ সিদ্দিকী (সুমন) রনির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন—“কাউসারুল হাসান রনি আমার শত্রুদের সাথে হাত মিলিয়ে আক্রোশ থেকে আমার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করিয়েছেন। কোন নোটিশ বা সতর্কতা ছাড়াই ‘মনগড়া রিপোর্ট’ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দিয়েছেন।” আরিফ সিদ্দিকীর ভাষায়—শহরের বেশিরভাগ পুনর্বাসন কেন্দ্রই অনিয়মে জর্জরিত! ঘুষ দিয়ে ১০ বেড থেকে ৩০ বেডে আপগ্রেড! পর্যাপ্ত জায়গা নেই—তবুও ভুয়া এপিড/ওপিড দেখানো হয়! অতিরিক্ত রোগী ভর্তি! নির্যাতন,ব্ল্যাকমেইল,অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রায় সব কেন্দ্রেই থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ চোখ বন্ধ করে আছে! তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—“জাতীয় পর্যায়ে ২য় হয়ে পুরস্কার পাওয়া কেন্দ্রটিকে সামান্য ত্রুটিতে বন্ধ করা—এটা কি ন্যায়? আইন কি শুধু একজনের বিরুদ্ধে প্রয়োগ হবে?” সচেতন সমাজের মন্তব্য—“এটি রাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা”! স্থানীয় নাগরিক সমাজ বলছে—“মাদক দমনের নামে দুর্নীতি হলে তা সরাসরি রাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা।”
তদন্তের জোর দাবিঃ নাগরিক সমাজ,
মানবাধিকার কর্মী,স্থানীয় সচেতন জনগণ এবং একাধিক পুনর্বাসন কেন্দ্র মালিকদের দাবি—
১.সহকারী পরিচালক রনির দায়ের করা সব মামলার নথি ও জব্দ তালিকা পুনঃপর্যালোচনা।
২.উদ্ধারকৃত মাদক, প্রদর্শিত পরিমাণ ও আর্থিক লেনদেনের পূর্ণ অডিট। ৩.এএসআই ফারুক,মাহাবুবসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্পদের উৎস তদন্ত। ৪.রনির বিরুদ্ধে স্বচ্ছ, স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন ও দায়িত্ব থেকে অপসারণ/সাময়িক বরখাস্ত। ৫.পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর অনিয়মের বিরুদ্ধে সার্বিক তদন্ত, ঘুষ পরিচালিত অনুমোদন প্রক্রিয়া বন্ধ। অভিযোগ অস্বীকারঃ অভিযুক্ত সহকারী পরিচালক কাউসারুল হাসান রনি এবং তার অধীনস্থরা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন! তবে অভিযোগের পরিমাণ,তথ্যের সমন্বয়,স্থানীয় ক্ষোভ ও প্রশাসনিক নীরবতা—সব মিলিয়ে দাবি জোরদার হচ্ছে—“মাদক দমন সংস্থার ভেতরেই যদি দুর্নীতির ‘মডেল’ তৈরি হয়—তবে যুবসমাজকে রক্ষা করবে কে?”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের

ময়মনসিংহে সহকারী পরিচালক রনিকে ঘিরে ভয়ংকর অভিযোগ—মাদক দমন নয়,‘সাম্রাজ্য পরিচালনার’ আভাস!

আপডেট সময় ১০:৫০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

ময়মনসিংহে সহকারী পরিচালক রনিকে ঘিরে ভয়ংকর অভিযোগ—মাদক দমন নয়,‘সাম্রাজ্য পরিচালনার’ আভাস!

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব রাষ্ট্র যে সংস্থার কাঁধে তুলে দিয়েছে—সেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাওসারুল হাসান রনির বিরুদ্ধে উঠছে একের পর এক ভয়ংকর অভিযোগ। স্থানীয়দের ভাষায়—“তিনি মাদক দমন নয়, বরং মাদক সাম্রাজ্যের ‘রাজনীতি’ পরিচালনা করছেন।” স্থানীয় গডফাদারদের সুরক্ষা,বাইরের জেলায় সাফল্যের গল্প? সূত্র জানায়,রনির অধীনে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট ময়মনসিংহ শহর ও আশপাশে পরিচিত মাদক গডফাদারদের—(ময়না-বুচি, নজরুল-নাজু,ডালিয়া,রুমা,রুজি,স্মৃতি,কুদু, হামে,রেহেনা,দুখিনী,সুরমা,সুবর্ণা-দেলু,মোখলেস, আনু,হাফিজুল,মোফাজ্জল,আহাদ,কাইয়ুমসহ বেশ কয়েকজনকে) টাকার বিনিময়ে ‘নিরাপত্তা’ দিয়ে থাকে। বিনিময়ে প্রতি মাসে মাসোয়ারা নেওয়া হয়,যা ভাগ বণ্টন হয়: এএসআই ফারুক,
এএসআই মাহাবুব,সিপাহি পাবেল ও সিপাহি সোহেলের যৌথ সমন্বয়ে! স্থানীয়দের মতে, বাহিরের জেলায় বেশিরভাগ মামলা ও অভিযান দেখিয়ে “সাফল্যের গল্প” তৈরি করা হলেও নিজ জেলায় চলে কাঠামোগত ‘অন্ধত্ব’! উদ্ধার ও জব্দ তালিকার পার্থক্য—অভিযোগের পাহাড়! একাধিক অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদক ও মামলায় দেখানো পরিমাণের মধ্যে বিশাল অমিলের তথ্য পাওয়া গেছে: এক অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধারের পর মামলায় দেখানো হয় ১৮ কেজি!
ত্রিশাল থেকে আটক মো.সোহাগের কাছ থেকে ২,০০০ ইয়াবা পাওয়া গেলেও মামলায় দেখানো হয়েছে ১,৯৫০টি! জব্দ নগদের ক্ষেত্রেও একই ‘কম দেখানো’ অভিযোগ! পরবর্তীতে চার্জশিটেও ঘুষ বানিজ্য!  স্থানীয়রা বলছেন—“এই পার্থক্যগুলো দুর্নীতির এক গভীর চিত্র তুলে ধরে।”
অভিযুক্তের সন্দেহজনক সম্পদ! বহু বছর একই এলাকায় বা নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালন করায় রনির অধীনস্থ কর্মচারীদের অতিদ্রুত সচ্ছল হয়ে ওঠাকে ঘিরেও প্রশ্ন উঠেছে! অভিযোগে বলা হয়েছে—যেমন;এএসআই ফারুক–শম্ভুগঞ্জে জমি
,গোয়ালকান্দিতে ১৬ শতক জমি,সানকিপাড়ায় বাড়ি,গ্রামে আলিশান ভবন,এসব সম্পদের উৎস কোথায়—তা জানতে তদন্তের দাবি তুলেছেন নাগরিক সমাজ। এদিকে রনির ব্যক্তিজীবনেও বিতর্ক—স্ত্রীর মামলা ও বিবাহবিচ্ছেদ! পারিবারিক সূত্রের দাবি,রনির ব্যক্তিজীবনেও নানান অস্থিরতা রয়েছে। অভিযোগ আছে—
তার স্ত্রী মামলাও করেছেন এবং পরে তালাক দিয়েছেন। জনমত প্রশ্ন করছে—“নিজ পরিবারই যেখানে ধরে রাখতে পারেননি,দেশের তরুণ প্রজন্মকে তিনি কীভাবে রক্ষা করবেন?” ‘দীপ মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র’ বন্ধ—পরিচালকের বিস্ফোরক অভিযোগঃ–ময়মনসিংহ শহরের সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান “দীপ মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র”-এর পরিচালক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মো. আরিফ সিদ্দিকী (সুমন) রনির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন—“কাউসারুল হাসান রনি আমার শত্রুদের সাথে হাত মিলিয়ে আক্রোশ থেকে আমার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করিয়েছেন। কোন নোটিশ বা সতর্কতা ছাড়াই ‘মনগড়া রিপোর্ট’ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দিয়েছেন।” আরিফ সিদ্দিকীর ভাষায়—শহরের বেশিরভাগ পুনর্বাসন কেন্দ্রই অনিয়মে জর্জরিত! ঘুষ দিয়ে ১০ বেড থেকে ৩০ বেডে আপগ্রেড! পর্যাপ্ত জায়গা নেই—তবুও ভুয়া এপিড/ওপিড দেখানো হয়! অতিরিক্ত রোগী ভর্তি! নির্যাতন,ব্ল্যাকমেইল,অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রায় সব কেন্দ্রেই থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ চোখ বন্ধ করে আছে! তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—“জাতীয় পর্যায়ে ২য় হয়ে পুরস্কার পাওয়া কেন্দ্রটিকে সামান্য ত্রুটিতে বন্ধ করা—এটা কি ন্যায়? আইন কি শুধু একজনের বিরুদ্ধে প্রয়োগ হবে?” সচেতন সমাজের মন্তব্য—“এটি রাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা”! স্থানীয় নাগরিক সমাজ বলছে—“মাদক দমনের নামে দুর্নীতি হলে তা সরাসরি রাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা।”
তদন্তের জোর দাবিঃ নাগরিক সমাজ,
মানবাধিকার কর্মী,স্থানীয় সচেতন জনগণ এবং একাধিক পুনর্বাসন কেন্দ্র মালিকদের দাবি—
১.সহকারী পরিচালক রনির দায়ের করা সব মামলার নথি ও জব্দ তালিকা পুনঃপর্যালোচনা।
২.উদ্ধারকৃত মাদক, প্রদর্শিত পরিমাণ ও আর্থিক লেনদেনের পূর্ণ অডিট। ৩.এএসআই ফারুক,মাহাবুবসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্পদের উৎস তদন্ত। ৪.রনির বিরুদ্ধে স্বচ্ছ, স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন ও দায়িত্ব থেকে অপসারণ/সাময়িক বরখাস্ত। ৫.পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর অনিয়মের বিরুদ্ধে সার্বিক তদন্ত, ঘুষ পরিচালিত অনুমোদন প্রক্রিয়া বন্ধ। অভিযোগ অস্বীকারঃ অভিযুক্ত সহকারী পরিচালক কাউসারুল হাসান রনি এবং তার অধীনস্থরা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন! তবে অভিযোগের পরিমাণ,তথ্যের সমন্বয়,স্থানীয় ক্ষোভ ও প্রশাসনিক নীরবতা—সব মিলিয়ে দাবি জোরদার হচ্ছে—“মাদক দমন সংস্থার ভেতরেই যদি দুর্নীতির ‘মডেল’ তৈরি হয়—তবে যুবসমাজকে রক্ষা করবে কে?”