ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র Logo বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে ড. আব্দুল মঈন খান Logo ময়মনসিংহে ভয় ও অপরাধ: চাঁদাবাজি–লুটপাট
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।

মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আঁতাত—এসআই মোস্তাফিজ কি মাফিয়া ডনের ছদ্মবেশে?

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আঁতাত—এসআই মোস্তাফিজ কি মাফিয়া ডনের ছদ্মবেশে

 

 

“এ কেমন আইন রক্ষক, যে নিজেই আইনের ভক্ষক?”—ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মোস্তাফিজকে ঘিরে এখন তুমুল ক্ষোভ ও বিতর্ক। একের পর এক ঘুষের অভিযোগে তার নাম ভেসে উঠছে। জনগণের প্রশ্ন—“একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও তিনি কেন মাফিয়া ডনের মতো আচরণ করছেন?”

ভাবখালী ঘুষ কাণ্ড! অভিযোগ অনুযায়ী, ভাবখালী কাচারী বাজার ফেরিঘাটে নিরীহ মুন্জুর নামের এক ব্যক্তিকে আটকিয়ে এসআই মোস্তাফিজ হাতিয়ে নেন ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। পরে নাটক সাজিয়ে টাকার কিছু অংশ ফেরত দিলেও ভেঙে যায় ভুক্তভোগীর সম্মান ও পুলিশের প্রতি আস্থা। অঢেল সম্পদের রহস্য!

সরকারি চাকরির সীমিত বেতনে কীভাবে তিনি জামালপুরে একটি বাড়ি, ময়মনসিংহে আরেকটি বাড়ি ও ঢাকায় ফ্ল্যাটের মালিক হলেন—এ নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে বড় প্রশ্ন এখন এসব টাকার উৎস! মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আঁতাত! অভিযোগ রয়েছে, আলিয়া মাদ্রাসা রেলগেট এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সুবর্ণার কাছ থেকে মোস্তাফিজ ঘুষ নেন দেড় লাখ টাকা। এরপর জব্দকৃত মাদকের পরিমাণ কমিয়ে দেখানো হয় এবং সুবর্ণাকে মামলায় ফাঁসিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অর্থাৎ একদিকে ঘুষ খেয়ে সুবিধা নেওয়া, অন্যদিকে ন্যায়বিচারের নাটক—দুটিই চালিয়েছেন তিনি। পুলিশের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ!

এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছে। তাদের প্রশ্ন—“আমরা কি ঘুষখোরের হাতে বিচার চাই?” “আমরা কি মাদক ব্যবসায়ীদের রক্ষক হয়ে যাওয়া পুলিশ চাই?” সরকারের প্রতি প্রশ্ন– সচেতন মহল বলছে—“এসআই মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও শাস্তি না হলে কি আরও শত শত মোস্তাফিজ জন্ম নেবে না? সরকার কি সত্যিই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে,নাকি সবই শুধু মুখের কথা?”অভিযুক্তের নীরবতা! এ বিষয়ে এসআই মোস্তাফিজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের

মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আঁতাত—এসআই মোস্তাফিজ কি মাফিয়া ডনের ছদ্মবেশে?

আপডেট সময় ১২:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আঁতাত—এসআই মোস্তাফিজ কি মাফিয়া ডনের ছদ্মবেশে

 

 

“এ কেমন আইন রক্ষক, যে নিজেই আইনের ভক্ষক?”—ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মোস্তাফিজকে ঘিরে এখন তুমুল ক্ষোভ ও বিতর্ক। একের পর এক ঘুষের অভিযোগে তার নাম ভেসে উঠছে। জনগণের প্রশ্ন—“একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও তিনি কেন মাফিয়া ডনের মতো আচরণ করছেন?”

ভাবখালী ঘুষ কাণ্ড! অভিযোগ অনুযায়ী, ভাবখালী কাচারী বাজার ফেরিঘাটে নিরীহ মুন্জুর নামের এক ব্যক্তিকে আটকিয়ে এসআই মোস্তাফিজ হাতিয়ে নেন ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। পরে নাটক সাজিয়ে টাকার কিছু অংশ ফেরত দিলেও ভেঙে যায় ভুক্তভোগীর সম্মান ও পুলিশের প্রতি আস্থা। অঢেল সম্পদের রহস্য!

সরকারি চাকরির সীমিত বেতনে কীভাবে তিনি জামালপুরে একটি বাড়ি, ময়মনসিংহে আরেকটি বাড়ি ও ঢাকায় ফ্ল্যাটের মালিক হলেন—এ নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে বড় প্রশ্ন এখন এসব টাকার উৎস! মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আঁতাত! অভিযোগ রয়েছে, আলিয়া মাদ্রাসা রেলগেট এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সুবর্ণার কাছ থেকে মোস্তাফিজ ঘুষ নেন দেড় লাখ টাকা। এরপর জব্দকৃত মাদকের পরিমাণ কমিয়ে দেখানো হয় এবং সুবর্ণাকে মামলায় ফাঁসিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অর্থাৎ একদিকে ঘুষ খেয়ে সুবিধা নেওয়া, অন্যদিকে ন্যায়বিচারের নাটক—দুটিই চালিয়েছেন তিনি। পুলিশের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ!

এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছে। তাদের প্রশ্ন—“আমরা কি ঘুষখোরের হাতে বিচার চাই?” “আমরা কি মাদক ব্যবসায়ীদের রক্ষক হয়ে যাওয়া পুলিশ চাই?” সরকারের প্রতি প্রশ্ন– সচেতন মহল বলছে—“এসআই মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও শাস্তি না হলে কি আরও শত শত মোস্তাফিজ জন্ম নেবে না? সরকার কি সত্যিই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে,নাকি সবই শুধু মুখের কথা?”অভিযুক্তের নীরবতা! এ বিষয়ে এসআই মোস্তাফিজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।