
মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আঁতাত—এসআই মোস্তাফিজ কি মাফিয়া ডনের ছদ্মবেশে
“এ কেমন আইন রক্ষক, যে নিজেই আইনের ভক্ষক?”—ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মোস্তাফিজকে ঘিরে এখন তুমুল ক্ষোভ ও বিতর্ক। একের পর এক ঘুষের অভিযোগে তার নাম ভেসে উঠছে। জনগণের প্রশ্ন—“একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও তিনি কেন মাফিয়া ডনের মতো আচরণ করছেন?”
ভাবখালী ঘুষ কাণ্ড! অভিযোগ অনুযায়ী, ভাবখালী কাচারী বাজার ফেরিঘাটে নিরীহ মুন্জুর নামের এক ব্যক্তিকে আটকিয়ে এসআই মোস্তাফিজ হাতিয়ে নেন ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। পরে নাটক সাজিয়ে টাকার কিছু অংশ ফেরত দিলেও ভেঙে যায় ভুক্তভোগীর সম্মান ও পুলিশের প্রতি আস্থা। অঢেল সম্পদের রহস্য!
সরকারি চাকরির সীমিত বেতনে কীভাবে তিনি জামালপুরে একটি বাড়ি, ময়মনসিংহে আরেকটি বাড়ি ও ঢাকায় ফ্ল্যাটের মালিক হলেন—এ নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে বড় প্রশ্ন এখন এসব টাকার উৎস! মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আঁতাত! অভিযোগ রয়েছে, আলিয়া মাদ্রাসা রেলগেট এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সুবর্ণার কাছ থেকে মোস্তাফিজ ঘুষ নেন দেড় লাখ টাকা। এরপর জব্দকৃত মাদকের পরিমাণ কমিয়ে দেখানো হয় এবং সুবর্ণাকে মামলায় ফাঁসিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অর্থাৎ একদিকে ঘুষ খেয়ে সুবিধা নেওয়া, অন্যদিকে ন্যায়বিচারের নাটক—দুটিই চালিয়েছেন তিনি। পুলিশের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ!
এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছে। তাদের প্রশ্ন—“আমরা কি ঘুষখোরের হাতে বিচার চাই?” “আমরা কি মাদক ব্যবসায়ীদের রক্ষক হয়ে যাওয়া পুলিশ চাই?” সরকারের প্রতি প্রশ্ন– সচেতন মহল বলছে—“এসআই মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও শাস্তি না হলে কি আরও শত শত মোস্তাফিজ জন্ম নেবে না? সরকার কি সত্যিই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে,নাকি সবই শুধু মুখের কথা?”অভিযুক্তের নীরবতা! এ বিষয়ে এসআই মোস্তাফিজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের 









