ঢাকা , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র Logo বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে ড. আব্দুল মঈন খান Logo ময়মনসিংহে ভয় ও অপরাধ: চাঁদাবাজি–লুটপাট
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।

শুধু সেবনকারী নয়, গডফাদারদের ধরতে হবে—ময়মনসিংহের সচেতন নাগরিকদের দাবি

শুধু সেবনকারী নয়, গডফাদারদের ধরতে হবে—ময়মনসিংহের সচেতন নাগরিকদের দাবি

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী অভিযানে আবারও ধরা পড়লো দুই মাদক সেবী। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পৃথক অভিযানে দুইজনকে গ্রেফতার করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। কোতোয়ালি মডেল থানাধীন নওমহল চান্দুর দোকান মোড় এলাকা থেকে রাফায়েল হক হিমেল নামে এক মাদক সেবীকে ১০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে ময়মনসিংহ জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাকারিয়া হোসেন আসামিকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও একশত টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। অপরদিকে, একই থানার চর আনন্দিপুর এলাকা থেকে সাব্বির আহাম্মেদ হৃদয় নামে আরেক মাদক সেবীকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয়। তার কাছ থেকেও ১০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) চার দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও একশত টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এই অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের “ক” সার্কেলের ইন্সপেক্টর আমিনুল কবির এর নেতৃত্বে একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে—মাদকের বিরুদ্ধে এই অভিযান চলমান থাকবে। তবে প্রশ্ন উঠছে—শুধু সেবনকারীদের গ্রেফতার করেই কি মাদকের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে? মূল সরবরাহকারী, সিন্ডিকেট ও গডফাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নিলে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। ময়মনসিংহের সচেতন নাগরিকরা এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদক আজ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিন যুব সমাজ ধ্বংস হচ্ছে, পরিবার গুলো ভেঙে যাচ্ছে। অথচ বড় মাপের কারবারিরা অদৃশ্য শক্তির ছায়ায় থেকে যাচ্ছে অদণ্ডিত।” সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি—দ্রুত সময়ের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট, তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নাহলে মাদকের বিষদাঁত সমাজের শেকড়ে গেঁথে যাবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের

শুধু সেবনকারী নয়, গডফাদারদের ধরতে হবে—ময়মনসিংহের সচেতন নাগরিকদের দাবি

আপডেট সময় ১০:৪৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শুধু সেবনকারী নয়, গডফাদারদের ধরতে হবে—ময়মনসিংহের সচেতন নাগরিকদের দাবি

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী অভিযানে আবারও ধরা পড়লো দুই মাদক সেবী। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পৃথক অভিযানে দুইজনকে গ্রেফতার করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। কোতোয়ালি মডেল থানাধীন নওমহল চান্দুর দোকান মোড় এলাকা থেকে রাফায়েল হক হিমেল নামে এক মাদক সেবীকে ১০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে ময়মনসিংহ জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাকারিয়া হোসেন আসামিকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও একশত টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। অপরদিকে, একই থানার চর আনন্দিপুর এলাকা থেকে সাব্বির আহাম্মেদ হৃদয় নামে আরেক মাদক সেবীকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয়। তার কাছ থেকেও ১০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) চার দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও একশত টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এই অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের “ক” সার্কেলের ইন্সপেক্টর আমিনুল কবির এর নেতৃত্বে একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে—মাদকের বিরুদ্ধে এই অভিযান চলমান থাকবে। তবে প্রশ্ন উঠছে—শুধু সেবনকারীদের গ্রেফতার করেই কি মাদকের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে? মূল সরবরাহকারী, সিন্ডিকেট ও গডফাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নিলে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। ময়মনসিংহের সচেতন নাগরিকরা এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদক আজ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিন যুব সমাজ ধ্বংস হচ্ছে, পরিবার গুলো ভেঙে যাচ্ছে। অথচ বড় মাপের কারবারিরা অদৃশ্য শক্তির ছায়ায় থেকে যাচ্ছে অদণ্ডিত।” সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি—দ্রুত সময়ের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট, তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নাহলে মাদকের বিষদাঁত সমাজের শেকড়ে গেঁথে যাবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনবে।