
সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত:প্রধান প্রকৌশলীর রুটিন দায়িত্বে মো.আবদুল আউয়াল
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর—দেশের পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে সরকার নতুন গতি সঞ্চারের ইঙ্গিত দিলো। স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চ.দা.) মো. আবদুল আউয়ালকে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর রুটিন দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ১৭ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. তারিখের স্মারক নং-৪৬.০০.০০০০.০৮৩.১৯.০০৫.২৪-৬৭৫ অনুযায়ী পদায়ন কার্যকর হওয়ার পর অদ্য ১৭/১১/২০২৫ তারিখ পূর্বাহ্নে তিনি কাকরাইলস্থ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের স্মারক নং-৪৬.০৩.০০০০.০০১.১৩.০৫৭৬.০৮-৩৮০০ নং ‘দায়িত্বভার গ্রহণ (Assume) পত্র’-এ দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। জনগণের শুভেচ্ছা,অভিনন্দন ও আশাবাদ–ময়মনসিংহ–ঢাকা–চট্টগ্রাম—সারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে এই দায়িত্ব পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের জোয়ার দেখা গেছে। জনগণের ভাষ্য—“পানি ও স্যানিটেশন খাতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করে স্বচ্ছ কার্যক্রম নিশ্চিত হবে।” “নতুন প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে stalled প্রকল্পগুলো গতি পাবে।” “গ্রামীণ পানীয়জল প্রকল্প, গভীর নলকূপ স্থাপন, স্যানিটেশন তদারকি—সব খাতে নতুন কর্মস্পৃহা তৈরি হবে।”
“মাঠ পর্যায়ে দুর্নীতি ও হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান হবে বলে আশা করছি।” কর্মকর্তাদের অনেকেই মনে করছেন—আবদুল আউয়ালের বাস্তববাদী মনোভাব, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতা এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে ‘নতুন শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি’ প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সার্বিক বাস্তবতা: কেন এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ? –বাংলাদেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জলাধার উন্নয়ন—সবই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ওপর নির্ভরশীল। সাম্প্রতিক সময়ে তদারকি ঘাটতি, প্রকল্প বিলম্ব, মাঠ পর্যায়ের অনিয়ম এবং পানীয়জলের সংকট নিয়ে বহু অভিযোগ উঠে আসে। এ অবস্থায় নতুন নেতৃত্ব: প্রকল্প বাস্তবায়নে গতিশীলতা,আর্থিক শৃঙ্খলা,মাঠ পর্যায়ের জবাবদিহি,ও জনগণের সরাসরি সেবা—
এগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে—“এই নিয়োগ শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং পানি ও স্যানিটেশন খাতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সম্ভাবনা।”
সরকারের বার্তা: জনস্বার্থ সর্বাগ্রে–রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—“জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।” এতে বোঝা যায়, জনগণের মৌলিক সেবা—বিশেষ করে নিরাপদ পানি সরবরাহ—নিশ্চিত করতেই সরকার নেতৃত্বে সময়োপযোগী পরিবর্তন আনছে। মো.আবদুল আউয়ালের দায়িত্ব গ্রহণকে কেন্দ্র করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে নতুন আশা তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক পরিমণ্ডলে এই পরিবর্তনকে “সময়ের দাবি” বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনগণের প্রত্যাশা একটাই—স্বচ্ছতা,সেবা,উন্নয়ন ও সবার জন্য নিরাপদ পানি। এই প্রত্যাশা পূরণে নতুন প্রধান প্রকৌশলী কীভাবে পথচলা শুরু করেন—এখন সকলের দৃষ্টি সেদিকেই।

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের 









