ঢাকা , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo নরসিংদী জেলা প্রশাসকের সাথে নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় Logo বাংলাদেশ-সোমালিয়া শিক্ষা সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত: এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এইউবি) ও দারুসসালাম ইউনিভার্সিটি, সোমালিয়া (ডিএসইউ)-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।
জনমনে তোলপাড়

হাতকড়া পরা আসামি নিয়ে হাসপাতালে গোপন বৈঠক! জনমনে তোলপাড়

হাতকড়া পরা আসামি নিয়ে হাসপাতালে গোপন বৈঠক! জনমনে তোলপাড়

ময়মনসিংহ শহরে এক অদ্ভুত ও রহস্যজনক ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, সিটি কর্পোরেশনের ব্রাক্ষপল্লী এলাকায় অবস্থিত রেডিয়েন্ট ডায়াগনস্টিক এন্ড জেনারেল হাসপাতাল (লিঃ)–এর ভেতরে হাতকড়া পরিহিত এক আসামিকে নিয়ে প্রবেশ করেন কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই আন্নান ও তার টিম। ঘটনাস্থলে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টি আঁচ করতে পারলে দ্রুত দরজা বন্ধ করে দেন এক কনস্টেবল। এরপর আসামিকে একটি কক্ষে নিয়ে এসআই আন্নানকে “আলোচনায়” বসতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের অভিযানে সাধারণত স্বচ্ছতা ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করার কথা। কিন্তু এ ধরনের গোপন বৈঠক জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। হাতকড়া পরা আসামিকে থানায় না নিয়ে হাসপাতালে আনা হলো কেন? কোন উদ্দেশ্যে দরজা বন্ধ করে গোপন বৈঠক করা হলো?—এসব প্রশ্ন এখন সর্বত্র ঘুরপাক খাচ্ছে।

মিডিয়াকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন পুলিশ সদস্যরা। তবে সংবাদকর্মীদের চোখ এড়িয়ে যায়নি পুরো প্রক্রিয়ার অসঙ্গতি। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলছে, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যদি নিজেদের দায়িত্ব স্বচ্ছভাবে পালন না করেন, তবে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার কোথায় পাবে?”

অভিযোগ উঠেছে, পুলিশি অভিযানের নামে কোনো ধরনের গোপন সমঝোতা বা অসৎ উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে কি না—এমন প্রশ্ন ঘুরছে নাগরিক সমাজের মনে। জনমতের দাবী, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে ঘটনার প্রকৃত সত্য বের করতে হবে এবং যদি দায়িত্বপ্রাপ্ত কারও বিরুদ্ধে অনিয়ম প্রমাণিত হয় তবে তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

সুশীল সমাজ বলছে, পুলিশের উপর জনগণের আস্থা টিকিয়ে রাখতে হলে এ ধরনের ঘটনা আর কোনোভাবেই ঘটতে দেওয়া যাবে না। আইন সবার জন্য সমান—এবং তার প্রয়োগও হতে হবে সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদী জেলা প্রশাসকের সাথে নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

জনমনে তোলপাড়

হাতকড়া পরা আসামি নিয়ে হাসপাতালে গোপন বৈঠক! জনমনে তোলপাড়

আপডেট সময় ০২:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

হাতকড়া পরা আসামি নিয়ে হাসপাতালে গোপন বৈঠক! জনমনে তোলপাড়

ময়মনসিংহ শহরে এক অদ্ভুত ও রহস্যজনক ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, সিটি কর্পোরেশনের ব্রাক্ষপল্লী এলাকায় অবস্থিত রেডিয়েন্ট ডায়াগনস্টিক এন্ড জেনারেল হাসপাতাল (লিঃ)–এর ভেতরে হাতকড়া পরিহিত এক আসামিকে নিয়ে প্রবেশ করেন কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই আন্নান ও তার টিম। ঘটনাস্থলে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টি আঁচ করতে পারলে দ্রুত দরজা বন্ধ করে দেন এক কনস্টেবল। এরপর আসামিকে একটি কক্ষে নিয়ে এসআই আন্নানকে “আলোচনায়” বসতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের অভিযানে সাধারণত স্বচ্ছতা ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করার কথা। কিন্তু এ ধরনের গোপন বৈঠক জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। হাতকড়া পরা আসামিকে থানায় না নিয়ে হাসপাতালে আনা হলো কেন? কোন উদ্দেশ্যে দরজা বন্ধ করে গোপন বৈঠক করা হলো?—এসব প্রশ্ন এখন সর্বত্র ঘুরপাক খাচ্ছে।

মিডিয়াকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন পুলিশ সদস্যরা। তবে সংবাদকর্মীদের চোখ এড়িয়ে যায়নি পুরো প্রক্রিয়ার অসঙ্গতি। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলছে, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যদি নিজেদের দায়িত্ব স্বচ্ছভাবে পালন না করেন, তবে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার কোথায় পাবে?”

অভিযোগ উঠেছে, পুলিশি অভিযানের নামে কোনো ধরনের গোপন সমঝোতা বা অসৎ উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে কি না—এমন প্রশ্ন ঘুরছে নাগরিক সমাজের মনে। জনমতের দাবী, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে ঘটনার প্রকৃত সত্য বের করতে হবে এবং যদি দায়িত্বপ্রাপ্ত কারও বিরুদ্ধে অনিয়ম প্রমাণিত হয় তবে তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

সুশীল সমাজ বলছে, পুলিশের উপর জনগণের আস্থা টিকিয়ে রাখতে হলে এ ধরনের ঘটনা আর কোনোভাবেই ঘটতে দেওয়া যাবে না। আইন সবার জন্য সমান—এবং তার প্রয়োগও হতে হবে সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে।