ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের Logo নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo এইউবিতে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব Logo নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত Logo কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে গোলাপগঞ্জের হযরত সদাইশাহ (রহঃ) এর মাজার Logo ৩ লক্ষ পাঠকের স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানা- ড. সাদেক গ্রন্থাগার Logo স্বাধীনতা দিবসে বুটেক্সে ‘আধিপত্যবাদের একাল থেকে সেকাল’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo ময়মনসিংহে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমেছে, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক চিত্র Logo বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে ড. আব্দুল মঈন খান Logo ময়মনসিংহে ভয় ও অপরাধ: চাঁদাবাজি–লুটপাট
নোটিশ :
নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলছে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান ৪.০০ ,ব্যবসায় শিক্ষা ৩.০০ ,মানবিক ৩.০০।

ত্রিশালে চোলাইমদের কারখানা! মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ফাঁস হলো গোপন আস্তানা

ত্রিশালে চোলাইমদের কারখানা! মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ফাঁস হলো গোপন আস্তানা

 

 

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় অবৈধ চোলাই মদ উৎপাদনের একটি গোপন আস্তানা ফাঁস করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৭ জুন ২০২৫) দুপুরে পরিচালিত এক সফল অভিযানে ৫ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়।

 

অভিযান পরিচালনা করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ ‘ক’ সার্কেলের পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল কবির। তার নেতৃত্বে রেইডিং টিম একটি সরকারি পিকআপে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয় সাক্ষী মোঃ নুরুল ইসলাম ও মোঃ মাসুম আহম্মেদকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান শুরু করে।

 

অভিযানে অভিযুক্ত মনিন্দ্র রবিদাস (৫২)-এর নিজ বাড়ির বারান্দাযুক্ত দক্ষিণ দুয়ারী সেমিপাকা কক্ষ থেকে প্লাস্টিক বোতলে সংরক্ষিত অবস্থায় ৫ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় মনিন্দ্র রবিদাস পলাতক ছিলেন। পরিদর্শক আমিনুল কবিরের দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মনিন্দ্র রবিদাস “মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮” এর ৩৬(১) এর সারণী ২৪(ক) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এজাহারভিত্তিক নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

 

আইনানুগভাবে নমুনা সংগ্রহ করে তা সিলগালা করে হেফাজতে নেওয়া হয়। অভিযানের পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, “মনিন্দ্র রবিদাস দীর্ঘদিন ধরে চোলাইমদ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকলেও প্রশাসনের নজর এতদিন কেন যায়নি?” তাদের মতে, তার পেছনে কোনো প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়া থাকতে পারে।

 

জনগণের জোরালো দাবি:

 

ত্রিশালের মানুষ চায়— এমন মাদক কারবারিদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং প্রতিটি গ্রামে মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এর শেকড় উপড়ে ফেলা হোক।

 

মাদকবিরোধী অভিযানের আরও সাফল্য

 

একই দিনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ত্রিশাল থানা পুলিশের সহায়তায় পৃথক অভিযানে ১৫ লিটার চোলাই মদ ও ৬২০ লিটার ওয়াশ (চোলাইমদ তৈরির কাঁচামাল) জব্দ করা হয়। এসময় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়।

 

মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে প্রশাসনের জোরালো অবস্থান এবং জনগণের সহযোগিতা মিললে ত্রিশালসহ পুরো ময়মনসিংহ জেলায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসুস্থ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান বাদলকে দেখতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের

ত্রিশালে চোলাইমদের কারখানা! মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ফাঁস হলো গোপন আস্তানা

আপডেট সময় ১০:০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

ত্রিশালে চোলাইমদের কারখানা! মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ফাঁস হলো গোপন আস্তানা

 

 

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় অবৈধ চোলাই মদ উৎপাদনের একটি গোপন আস্তানা ফাঁস করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৭ জুন ২০২৫) দুপুরে পরিচালিত এক সফল অভিযানে ৫ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়।

 

অভিযান পরিচালনা করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ ‘ক’ সার্কেলের পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল কবির। তার নেতৃত্বে রেইডিং টিম একটি সরকারি পিকআপে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয় সাক্ষী মোঃ নুরুল ইসলাম ও মোঃ মাসুম আহম্মেদকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান শুরু করে।

 

অভিযানে অভিযুক্ত মনিন্দ্র রবিদাস (৫২)-এর নিজ বাড়ির বারান্দাযুক্ত দক্ষিণ দুয়ারী সেমিপাকা কক্ষ থেকে প্লাস্টিক বোতলে সংরক্ষিত অবস্থায় ৫ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় মনিন্দ্র রবিদাস পলাতক ছিলেন। পরিদর্শক আমিনুল কবিরের দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মনিন্দ্র রবিদাস “মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮” এর ৩৬(১) এর সারণী ২৪(ক) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এজাহারভিত্তিক নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

 

আইনানুগভাবে নমুনা সংগ্রহ করে তা সিলগালা করে হেফাজতে নেওয়া হয়। অভিযানের পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, “মনিন্দ্র রবিদাস দীর্ঘদিন ধরে চোলাইমদ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকলেও প্রশাসনের নজর এতদিন কেন যায়নি?” তাদের মতে, তার পেছনে কোনো প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়া থাকতে পারে।

 

জনগণের জোরালো দাবি:

 

ত্রিশালের মানুষ চায়— এমন মাদক কারবারিদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং প্রতিটি গ্রামে মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এর শেকড় উপড়ে ফেলা হোক।

 

মাদকবিরোধী অভিযানের আরও সাফল্য

 

একই দিনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ত্রিশাল থানা পুলিশের সহায়তায় পৃথক অভিযানে ১৫ লিটার চোলাই মদ ও ৬২০ লিটার ওয়াশ (চোলাইমদ তৈরির কাঁচামাল) জব্দ করা হয়। এসময় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়।

 

মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে প্রশাসনের জোরালো অবস্থান এবং জনগণের সহযোগিতা মিললে ত্রিশালসহ পুরো ময়মনসিংহ জেলায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।